

জয়ের জন্য লক্ষ্য মাত্র ৪০ রান। এই রান তুলতে কোনো উইকেট খরচ করতে হলো না পাকিস্তানের। আজহার আলি আর সামি আসলামই জয় নিশ্চিত করে ফেলেন।
পূর্ণ একদিন এবং আরেক দিনের ২৬ ওভার বাকি থাকতেই বিশাল ব্যবধানে এই জয় তুলে নিলো সফরকারী পাকিস্তান। ফলে চার ম্যাচের এই টেস্ট সিরিজ শেষ হলো ২-২ সমতায়। অথ্যাৎ নিজেদের মাটিতে পাকিস্তানকে সিরিজে হারাতে পারেনি ইংল্যান্ড। আর পাকিস্তানের জন্য স্বস্তির হলো, ইংল্যান্ডের মাটি থেকে টেস্ট সিরিজে পরাজয় নিয়ে দেশে ফিরতে হচ্ছে না তাদের।
প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের করা ৩২৮ রানের বিপরীতে ইউনিস খানের ডাবল সেঞ্চুরির ওপর ভর করে পাকিস্তানের সংগ্র দাঁড়ায় ৫৪২ রান। ফলে লিড দাঁড়ায় ২১৪ রানের। এরপরই ধরে নেয়া হয়েছিল, এই ম্যাচে আধিপত্যটা থাকবে পাকিস্তানের কাছেই। দ্বিতীয় ইনিংসে মোকাবেলা করতে নেমে টেস্টের তৃতীয় দিনে ইয়াসির শাহের ঘূর্ণিতে যখন কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল ইংল্যান্ড, তখনই মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল, জিততে যাচ্ছে পাকিস্তান।
শুধু দেখার বিষয় ছিল স্বাগতিক ইংল্যান্ড এই টেস্টকে কতদুর টেনে নিয়ে যেতে পারে; কিন্তু খুব বেশি যে নিতে পারলো না, তা স্পষ্ট হয়ে গেলো আজ লাঞ্চের পরপরই। জনি ব্যারেস্ট ৮১ রানের ইনিংসটা না খেললে হয়তো ইনিংস পরাজয়ই হতো স্বাগতিকদের। তবুও মানরক্ষা, কোনমতে ইনিংস পরাজয় এড়াতে পেরেছে তারা। যদিও পারলো না ১০ উইকেটের বিশাল পরাজয় এড়াতে।
ইয়াসির শাহের ৫টি, ওয়াহাব রিয়াজের ২টি, সোহেল খান এবং ইফতিখার আহমেদের ১টি করে উইকেটের সামনে দিশেহারা হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ড অলআউট হয়ে গেলো ২৫৩ রানে। লিড দাঁড়ায় মাত্র ৩৯ রানের। ব্যারেস্টর ৮১ ছাড়া ৩৯ রান করেন জো রুট, ৩২ রান করেন মঈন আলি এবং ১৭ রান করেন জেমস অ্যান্ডারসন।
ফলে, জয়ের জন্য পাকিস্তানের লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ৪০ রান। এই রান করতে কোন উইকেট হারাতে হলো না মিসবাহ-উল হকদের। আজহার আলি ৩০ এবং সামি আসলাম অপরাজিত থেকে যান ১২ রানে।
সানবিডি/ঢাকা/আহো