
ক্যামপেইন ফর পপুলার এডুকেশনের (সিএএমপিই) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাত্র ২২ শতাংশ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ব্যক্তিই প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারছে। আর ৩৫.৮ শতাংশ কর্মীরা আংশিকভাবে কাজে লাগাতে পারে এই প্রশিক্ষণ।
বলা হয়, প্রায় ৫২ শতাংশ প্রশিক্ষণ নেয় তাদের অতিরিক্ত আয়ের উদ্দেশ্যে। যাদের ২০ শতাংশেরই কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ থাকে না।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষতা উন্নয়নে জন্য জনসংখ্যার একটা বড় অংশ আনুষ্ঠানিক কিংবা অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। তবে তার কম অংশই এটাকে যথাযথ কাজে ব্যবহার করছে। সমন্বিত স্বাক্ষরতা ও দক্ষতা উন্নয়নের এই প্রশিক্ষণ হচ্ছে। ।
প্রতিবেদনে মূলত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) ৪টি ইস্যুর মধ্যে ৩টিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। সেটি হলো- স্বাক্ষরা, দক্ষতা উন্নয়ন, আজীবন শিক্ষার সুযোগ।
এই জরিপটি ২৭০টি পাশাপাশি গ্রাম ও মহল্লার ১৫ হাজার ২৬৫জন ব্যক্তির মাঝে চালানো হয়েছে। এর মধ্যে ১১ বছর বয়সের ওপরে ছিলো ১১ হাজার ৬৬৮জন। যার মধ্যে ৫৩.৬ শতাংশ ছিলো নারী।