

যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের উপর ‘অগ্রহণযোগ্য চাপ’ প্রয়োগ করছে বলে অভিযোগ করেছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) তিনি এই অভিযোগ করেন।
বুধবার (২৬ মার্চ) রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়।
এই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে মার্কিন প্রতিনিধিদলের গ্রিনল্যান্ড সফর করার আগে এমন অভিযোগ করলেন ফ্রেডেরিকসেন।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, স্ত্রী উষা এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে শুক্রবার গ্রিনল্যান্ডে যাবেন ভ্যান্স। সেখানে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পিটুফিক স্পেস বেসে ভ্রমণ করবেন তারা।
সেখানে আর্কটিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে আরও তথ্য এবং মার্কিন সেনা সদস্যদের সাথে দেখা করবেন বলেও জানানো হয়।
এদিকে, ফ্রেডেরিকসেন মঙ্গলবার ডেনিশ সম্প্রচারক ডিআর এবং টিভি২-কে বলেন, আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি যে এই পরিস্থিতিতে গ্রিনল্যান্ড এবং ডেনমার্কের উপর চাপ প্রয়োগ করা অগ্রহণযোগ্য। এটি এমন চাপ যা আমরা প্রতিরোধ করব।
ফ্রেডেরিকসেন আরও বলেন, এটি স্পষ্টতই এমন কোনও সফর নয় যা গ্রিনল্যান্ডের প্রয়োজন বা চাওয়ার বিষয়ে আলোচনা করবে। ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত ভূখণ্ড গ্রিনল্যান্ডের উপর ওয়াশিংটনের মনোযোগের কথা উল্লেখ করে এমনটা জানান তিনি।
সোমবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রস্তাব পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেয়া দরকার। এই বিশাল দ্বীপটি মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে ফ্রেডেরিকসেন এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন যে, গ্রিনল্যান্ডের জনগণের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের দায়িত্ব তাদের।
গ্রিনল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত সরকার প্রধান মুট এগেদে, এই সফরকে ‘উস্কানিমূলক’ বলে অভিহিত করেছেন।
এর আগে ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
ট্রাম্পের এই প্রস্তাবের প্রতিবাদে এই মাসের শুরুর দিকে, মার্কিন বিরোধী বিক্ষোভকারীরা রাজধানী নুউক এবং দ্বীপের আরও কয়েকটি শহরে জড়ো হয়েছিলেন। যা গ্রিনল্যান্ডে হওয়া সবচেয়ে বড় বিক্ষোভগুলোর মধ্যে একটি।
বিএইচ