‘ব্যর্থ’ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না সরকার, প্রশ্ন ছাত্রদের

সানবিডি২৪ আপডেট: ২০২৫-০৫-০৬ ০৬:৩৯:২৭


পুঁজিবাজারে নেই স্থিতিশীলতা। একের পর এক পতনে পুঁজি হারিয়ে নিঃশেষ হচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। আস্থা হারিয়ে দিশেহারা বিনিয়োগকারীরা রাশেদ মাকসুদের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছে। গত ৫ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার দ্বায়িত্ব গ্রহণের পর বছরের পর বছর ধরে পুঁজিবাজারে অচলাবস্থায় আশার সঞ্চার হয়। অন্তর্বর্তী সরকার বিএসইসির চেয়ারম্যানের দ্বায়িত্ব দেয় খন্দকার রাশেদ মাকসুদকে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা ভেবেছিলেন বাজারে ফিরবে স্থিতিশীলতা। দূর হবে সকল কারসাজি আর অনিয়ম। কিন্তু রাশেদ মাকসুদ দ্বায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পুঁজিবাজারে চলছে পতন। নেই নতুন কোন আইপিও। লেনদেন কমতে কমতে ঠেকেছে তিনশো কোটিরও নিচে। রাশেদ মাকসুদের একের পর এক সিদ্ধান্তে আস্থাহীনতায় পড়ে পুঁজিবাজার।

বিনিয়োগকারীসহ বাজার সংশ্লিষ্টরাও চেয়ারম্যানের কর্মকান্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করতে শুরু করেছে। অনলাইন অফলাইনে জোরালো হচ্ছে বিএসইসির চেয়ারম্যানের অপসারণ। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত আট মাসে বিএসইসি নামেই কাজ করেছে। বাস্তবে নিয়ন্ত্রক এই সংস্থাটিতে কোন কাজ হচ্ছে না।

এমন অবস্থায় বিএসইসির ব্যর্থ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না সরকার এমন প্রশ্ন রেখেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন। গণ অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া এই সংগঠনটির পক্ষ থেকে বল হয়, বর্তমান চেয়ারম্যান শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ, তবু সরকার কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না? সংগঠনটির ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজে এমন পোস্ট দিয়ে প্রশ্ন রেখেছে সরকারের নিকট।

গত কয়েকদিনে অনলাইন এক্টিভিস্টসহ অনেকেই পুঁজিবাজার নিয়ে কথা বলছেন। বিএসইসি চেয়ারম্যানের ব্যর্থতাও উঠে আসছে তাদের ব্যক্তব্যে। এতে ধীরে ধীরে রাশেদ মাকসুদের পদত্যাগের দাবি জোরালো হয়ে উঠছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা অতি দ্রুত এই চেয়ারম্যানের অপসারণ চাইছেন। তাঁর অপসারণ না হলে বিদ্যমান বাজারের উন্নতি হবেনা বলেও মনে করেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।