

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের বিরুদ্ধে সামরিক শাসন ঘোষণার চেষ্টার ঘটনায় তদন্তের অংশ হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক সু এবং সাবেক অর্থমন্ত্রী চোই সাং মোক-এর বিদেশ ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দেশটির সরকার। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ মে) দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ এ তথ্য জানায়।
দক্ষিণ কোরিয়ার চারদিকে চলছে নেতা নির্বাচনের প্রস্তুতির কর্মযজ্ঞ, তার মধ্যেও থেমে নেই সেই ইউন সুক ইওলের সামরিক আইন জারির ঘটনার সহযোগিদের বের করার তদন্তকাজ। এবার সেই তদন্তে অভিযোগের তীর সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক সু এবং সাবেক অর্থমন্ত্রী চোই সাং মোক-এর দিকে।
শুধু তাই নয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক অর্থমন্ত্রীর দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার।
ইয়োনহাপ জানিয়েছে, ৩ ডিসেম্বর ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের বিতর্কিত সামরিক আইন ঘোষণার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে সোমবার (২৬ মে) অপরাধ তদন্তকারী সংস্থা তাদের দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক অর্থমন্ত্রী চোইকে তলব করে দীর্ঘ ১০ ঘণ্টা ধরে জেরা চালায় পুলিশ। এর আগেই প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে গোপন ফোনালাপের রেকর্ড এবং সিসিটিভি ফুটেজের ইস্যু ধরে চলে বিশ্লেষণ।
এ বিষয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান বলেন, সামরিক আইন জারির পরিকল্পনা সম্পর্কে আমাকে আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি। অন্যদিকে সাবেক অর্থমন্ত্রী চোই দাবি করেন, তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের নির্দেশ সম্বলিত একটি নোটিশ পেয়েছিলেন, কিন্তু তিনি তা খুলে দেখেননি।
এছাড়াও, সামরিক আইন ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ, পানি বিচ্ছিন্ন রাখার অভিযোগে সাবেক জনপ্রশাসন ও নিরাপত্তামন্ত্রী লি সাং মিনকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে পুলিশ। সাবেক এই মন্ত্রীর ক্ষেত্রেও গত বছরের ডিসেম্বর থেকে দেশ ত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা আছে।
বিএইচ