কেশবপুরের আলোচিত পৌরসভার সাবেক মেয়র রফিকুল ইসলাম (৫৮) ছাত্রজনতার দাবির মুখে যৌথবাহিনীর হাতে আটক হয়েছেন।
জানা গেছে, বুধবার বেলা ৩টার দিকে কেশবপুর পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের ভবানিপুরস্ত নিজ বাড়ির পাশে অবস্থান করছে এমন সংবাদে, উত্তেজিত জনতা ধাওয়া করলে সে দৌড়ে বাড়ির পাশে ডা: হাফিজের বাড়ি অবস্থান নেয়। এলাকাবাসী ঐ বাড়ি ঘিরে রেখে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় তাকে আটক করে কেশবপুর থানায় নিয়ে আসেন। আটক সাবেক মেয়র ভবানিপুর গ্রামের মৃত শামসুর মোড়লের পুত্র। ২০১৫ সালে বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে কেশবপুর পৌর সভার পদ দখল করেন। এরপর আর পিছোনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
বুধবার দুপুর তিনটায় তার নিজ বাড়ির পাশে ডা :হাফিজের বাড়ি থেকে জনতার সহায়তায় কেশবপুর থানা পুলিশ আটকের সময় জনতা তাকে কিল, ঘুষি, চড়,থাপ্পড় মারে। আটক মেয়র এখন পুলিশের জিম্মায় কেশবপুর থানায় অবস্থান করছে। আটকের সময় উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলা ছাত্র সমন্বয়কদের নেতা মিরাজ হোসেন ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক শফিকুল ইসলাম সুইট প্রমূখ। এ সময় কেশবপুর থানা পুলিশ উক্ত বাড়ি থেকে ৫টি কম্পিউটারের পিসি ও ৫টি ডেস্কটপ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
কেশবপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন জানান, আটক কৃত সাবেক মেয়রের বিরুদ্ধে কেশবপুর থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলার অর্থ যোগানদাতা, ও পরামর্শ দাতার অভিযোগে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এনজে