বাংলাদেশ ফাইন্যান্সে আয় বৃদ্ধি ও মূলধন শক্তিশালীকরণের ইতিবাচক ধারা অব্যাহত
পুঁজিবাজার ডেস্ক প্রকাশ: ২০২৫-০৭-২১ ০৯:৫০:৫৮

কৌশলগত পুনর্গঠন এবং মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করার উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ফাইন্যান্স পিএলসি ২০২৫ সালের প্রথমার্ধের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত সমন্বিত আর্থিক ফলাফল প্রকাশ করেছে, যেখানে মুনাফায় ধারাবাহিক উন্নতি এবং ব্যালান্সশিটের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার প্রতিফলিত হয়েছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ০.১২ টাকা, যা প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ০.০৫ টাকা থেকে বেড়ে ২য় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ০.০৭ টাকায় উন্নীত হয়েছে। ধারাবাহিক এই প্রবৃদ্ধি সুসংগঠিত কার্যক্রম এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ আর্থিক ব্যবস্থাপনার ফল, যা ২০২৪ সালের প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে কোম্পানির পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
২০২৫ সালের ১৭ জুলাই অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় অর্ধ-বার্ষিক আর্থিক বিবরণী অনুমোদন করা হয়। কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ, লিজ ও বিনিয়োগ থেকে আদায় কার্যক্রম জোরদার করে অতিরিক্ত প্রভিশন সমন্বয়ের মাধ্যমে নিট মুনাফায় ইতিবাচক প্রভাব এসেছে। পাশাপাশি, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে কার্যক্রম পরিচালনা করায় কোম্পানির কার্যকর দক্ষতা ও মুনাফার ধারাবাহিকতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০২৫ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ০.০৭ টাকা, যেখানে ২০২৪ সালের একই সময়ে ছিল ০.১৩ টাকা। ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে মোট শেয়ার প্রতি আয় (EPS) দাঁড়িয়েছে ০.১২ টাকা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ০.৩৩ টাকা। এই ফলাফল ২০২৪ সালের রক্ষণশীল প্রভিশনিং এবং ব্যালান্সশিট ঝুঁকিমুক্ত করার উদ্যোগের ধারাবাহিক অগ্রগতির প্রতিফলন।
২০২৪ সালে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স ঝুঁকিভিত্তিক রক্ষণশীল প্রভিশন নীতিমালা গ্রহণ করে, যার আওতায় কোনো প্রকার ছাড় ব্যতিরেকে সকল প্রকার ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ, লিজ, বিনিয়োগ, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ, প্রাইভেট প্লেসমেন্ট, ঋণাত্মক ইক্যুইটি এবং স্থায়ী আমানতের বিপরীতে পূর্ণাঙ্গ প্রভিশন সংরক্ষণ করে। এই কৌশল স্বল্পমেয়াদে মুনাফায় প্রভাব ফেললেও কোম্পানির ব্যালান্সশিটের স্থিতিশীলতা ও ঝুঁকি সহনশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।
ভবিষ্যতের আর্থিক ভিত্তি আরও মজবুত করতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স তারল্য ব্যবস্থাপনা, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং সম্পদের গুণগত মানোন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। পাশাপাশি, বৃহৎ প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের পরিবর্তে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা খাতে অর্থায়ন বৃদ্ধির মাধ্যমে ঋণ বিতরণে বৈচিত্র্য আনছে। এছাড়া, শরিয়াভিত্তিক সেবার সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবা ব্যবস্থার মাধ্যমে আমানত সংগ্রহ ও ঋণ বিতরণ কার্যক্রমে গতি আনার পাশাপাশি ঝুঁকির ব্যবস্থাপনায় আরও দক্ষতা আনার পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।
এসকেএস







সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













