

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের ব্যাংক খাত। এর মধ্যে ইসলামী ধারার কয়েকটি ব্যাংক একেবারে ধসে পড়েছে। চরম তারল্য সংকটের কারণে সরকার এখন ব্যাংকগুলোকে একীভূত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে কয়েকটি ব্যাংকের অবস্থা ভাল থাকায় গত জুলাই মাসের তুলনায় আগস্টে মাসে ইসলামী ব্যাংকগুলোর আমানত বেড়েছে ১ দশমিক ২৩ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, চলতি বছরের জুলাই মাস শেষে শরীয়াহ ভিত্তিক ১০টি ব্যাংকের আমানত ছিল ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩৭ কোটি টাকা। আর পরের মাস আগস্ট শেষে ব্যাংকগুলোর আমানতের স্থিতি দাড়িয়েছে ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৭৮৭ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক মাসে ব্যাংকগুলোর আমানত বেড়েছে ৪ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা বা ১ দশমিক ২৩ শতাংশ।
এছাড়া, আর গত বছরের আগস্ট মাসে ১০টি ইসলামী ব্যাংকের আমানতের স্থিতি ছিল ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৮৯২ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে শরীয়াহ ভিত্তিক ১০টি ব্যাংকের আমানত বেড়েছে ১০ হাজার ৮৯৫ কোটি টাকা বা ৭ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই মাসে শরীয়াহ ভিত্তিক ১০টি ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছিল ৬৬ কোটি ডলার। আর চলতি বছরের আগস্ট মাসে ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ৬০ কোটি ডলার।
সেই হিসাবে এক মাসের ব্যবধানে ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে প্রবাসী আয় কম এসেছে ৬ কোটি ডলার।
তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই মাসে ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে আমদানি বিল পরিশোধ হয়েছিল ৯৮ কোটি ডলার। আর পরের মাস আগস্টে ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে আমদানি বিল পরিশোধ করা হয়েছে ৭০ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক মাসের ব্যবধানে ব্যাংকগুলোর আমদানি বিল পরিশোধ কমেছে ২৮ কোটি ডলার বা ২৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শরীয়াহ ভিত্তিক ১০টি ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে আসা রপ্তানি আয় কমেছে। চলতি বছরের জুলাই মাসে ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রপ্তানি আয় এসেছিল ৬৭ কোটি ডলার। আর পরের আগস্টে ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রপ্তানি আয় এসেছে ৬৫ কোটি ডলার। সেই হিসাবে এক মাসের ব্যবধানে ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রপ্তানি আয় কমেছে ২ কোটি ডলার বা ২ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।
এএ