৩ দফা বাস্তবায়নে কর্মবিরতিতে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা

সানবিডি২৪ প্রতিবেদক আপডেট: ২০২৫-১১-৩০ ১১:১৯:৫৫


সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা তিন দফা দাবিতে টানা কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে সারাদেশের সাড়ে ৬৫ হাজার বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যত বন্ধ রয়েছে। আগামী সোমবার (১ ডিসেম্বর) থেকে বার্ষিক পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও দাবি বাস্তবায়ন না হলে পরীক্ষায় অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষকরা। ফলে দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা এখন বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

শিক্ষক নেতারা জানিয়েছেন, সরকার রোববার (৩০ নভেম্বর) রাতের মধ্যে দাবি পূরণে কার্যকর সিদ্ধান্ত না দিলে সোমবার শুরু হতে যাওয়া বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন করা হবে।

গত শনিবার (২৯ নভেম্বর) প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আশ্বাসের পর ১৮ দিন পার হয়েছে। অদ্যাবধি তিন দফা দাবির মধ্যে আপাতত ১১তম গ্রেডের প্রজ্ঞাপন জারি ও অন্যান্য দাবি বাস্তবায়নে কাঙ্ক্ষিত দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।

এ অবস্থায় প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বানে গত ২৭ নভেম্বর সারা দেশের প্রায় সব বিদ্যালয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করার জন্য সব সহকর্মীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। আমাদের প্রিয় সহকর্মী শহীদ ফাতেমার আত্মত্যাগ ও দুই শতাধিক সহকর্মীর রক্ত বৃথা যেতে দেবো না।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কমিটমেন্ট অনুযায়ী আপাতত ১১তম গ্রেডসহ তিন দফা দাবি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় রোববার (৩০ নভেম্বর) থেকে যথারীতি আগের মতো পরীক্ষা বর্জনসহ লাগাতার পূর্ণদিবস কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে।

তিন দফা দাবি
১. বেতন স্কেল দশম গ্রেডে উন্নীতকরণ
২. ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড সমস্যার সমাধান
৩. শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি দিতে হবে।

এএ