আখতার আহমেদ
প্রতি ভোটকক্ষে ২টি গোপন কক্ষ রাখার পরিকল্পনা ইসির
সানবিডি২৪ প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২৫-১১-৩০ ২১:৪৯:৫১

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও একইসঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোটকে ‘শতাব্দীর নির্বাচন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বড়ো পরিসরের এই নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্তুতিতে মাঠ প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি জানান, ভোটের গতি বাড়ানো এবং ভোটারদের প্রবাহ নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্যে একটি ভোটকক্ষে দুটি গোপন কক্ষ (স্ট্যাম্পিং বুথ) রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সময় কমবে এবং কেন্দ্রে ভিড় এড়ানো যাবে।
রোববার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসিরউদ্দিনের সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় অংশ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা, ঋণ খেলাপি সংক্রান্ত তথ্য ব্যবস্থাপনা, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার প্যানেল প্রস্তুত, আগাম পোস্টার-ব্যানার অপসারণসহ অন্তত ২২টি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভাগ ও কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত বৈঠক করেছে।
আখতার আহমেদ বলেন, প্রবাসী ভোটারদের জন্য বন্ধ থাকা নিবন্ধন প্রক্রিয়া পুনরায় চালু হয়েছে এবং তথ্য সংশোধনের জন্য ‘এডিট মোড’ যুক্ত করা হয়েছে। এরইমধ্যে অ্যাপ ডাউনলোড করেছেন ২ লাখ ১০ হাজারের বেশি প্রবাসী এবং নিবন্ধন হয়েছে প্রায় ১ লাখ।
ভোটের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আতিথ্য গ্রহণে নিষেধাজ্ঞা কঠোর করা হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে তাদের ভাতা ও আর্থিক সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে। এছাড়া ব্যালট পেপার প্রিন্টিংয়ের কাজ দেশে সরকারি প্রেসে এবং প্রবাসী ভোটের ব্যালট সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা প্রেসে সম্পন্ন হচ্ছে। ডাক বিভাগকে তেজগাঁও ও বিমানবন্দর সর্টিং সেন্টার পরিদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভোটারদের সহযোগিতায় স্থানীয়ভাবে উপযোগী ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সচিব আরও জানান, গণভোট, আউট-অব-কান্ট্রি ভোটিং, এআই অপব্যবহার প্রতিরোধ এবং ভোটার শিক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রচারণা জোরদার করার কথা বলা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে মাইকিং, স্থানীয় প্রচারণা ও টিভি কভারেজ বাড়ানোর জন্যও গণমাধ্যমকে অনুরোধ করেন তিনি।
তিনি জানান, চূড়ান্ত সময়-পর্যালোচনা ও ভোটের তারিখ ঘোষণার পরই মূল কাজ গতিশীল হবে এবং নতুন চ্যালেঞ্জ এলে পর্যায়ক্রমে তা সমাধান করা হবে।
বিএইচ







সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













