এবার পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ৩৫ বস্তা টাকা
জেলা প্রতিনিধি আপডেট: ২০২৫-১২-২৭ ০৯:৫৬:০৯

তিন মাস ২৭ দিন পর আজ শনিবার কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ও মসজিদ কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা ও পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেনের উপস্থিতিতে খোলা হয় এসব দানবাক্স।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
মসজিদের ১৩টি দানবাক্স (সিন্দুক) খুলে টাকা বের করে ভরা হয় বস্তায়।
তারপর সেগুলো নেওয়া হয় মসজিদের দোতলায়। টাকা রাখতে লেগে যায় ৩৫টি বস্তা। দেশি টাকার পাশাপাশি পাওয়া যায় সোনা-রূপার অলঙ্কার এবং বিভিন্ন দেশের মুদ্রা।
এর আগে গত ৩০ আগস্ট খোলা হয়েছিল দানবাক্স।
তখন পাওয়া যায় ১২ কোটি ৯ লাখ টাকা। যা ছিল পাগলা মসজিদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দান। এ হিসাবে তিন মাস ২৭ দিন পর আবার খোলা হলো মসজিদের দানবাক্স।
এখন চলছে টাকা গণনার ব্যস্ততা। মাদরাসার আড়াই শতাধিক শিক্ষার্থী এতে অংশ নিয়েছে।
তাদের সহায়তা করছেন রূপালী ব্যাংকের শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী। মসজিদ কমিটির সদস্যরাও আছেন। সব মিলিয়ে চার শতাধিক লোক একসঙ্গে টাকা গুনছেন।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট(এডিএম) মো. এরশাদুল আহমেদের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা পুরো কাজ তদারকি করছেন। দানবাক্স খোলার সময় মসজিদ এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পুলিশ, সেনাবাহিনী, র্যাব ও আনসার সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা বলেন, মসজিদের আয় থেকে ব্যয় মিটিয়ে বাকিটা ব্যাংকে রাখা হচ্ছে। এখন জমা অর্ধ শতকোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এই অর্থ দিয়ে নির্মাণ হবে একটি আধুনিক ইসলামিক কমপ্লেক্স। প্রকল্পের জন্য ইতিমধ্যে পরামর্শক নিয়োগ হয়েছে। চূড়ান্ত নকশা পেলেই দরপত্র আহ্বান করা হবে। তারপর শুরু হবে নির্মাণকাজ।
এনজে







সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













