
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। মঙ্গলবার সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বিএনপি মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দেশের রাজনীতিতে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত এই বরেণ্য রাজনীতিবিদের মৃত্যুতে জাতি হারালো এক অভিভাবকসুলভ নেতৃত্বকে। তাঁর প্রয়াণে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। তিনবারের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের অবসান ঘটল।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়া এক অবিচ্ছেদ্য নাম। তিনি ছিলেন দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং দীর্ঘদিন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন হিসেবে জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী খালেদা জিয়া নব্বইয়ের দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন।
১৯৯১ সালে তিনি প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর শাসনামলে বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চা, সংসদীয় ব্যবস্থার কার্যকারিতা এবং অর্থনৈতিক উদারীকরণ নীতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শারীরিক অসুস্থতা ও আইনি জটিলতার কারণে তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে থাকলেও তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব অটুট ছিল। বিএনপি ও সমর্থকদের কাছে খালেদা জিয়া আজীবন গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ ও রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রতীকে পরিণত হয়ে থাকবেন।

বিস্তারিত আসছে...............।