নবীনগরে শীতে জবুথবু জনজীবন
জেলা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০২৬-০১-০২ ১৪:৩৯:৪৭

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে জেঁকে বসেছে হাড় কাঁপানো শীত। গত চার দিন ধরে উপজেলার সর্বত্র বইছে কনকনে ঠান্ডা হাওয়া, সঙ্গে রয়েছে ঘন কুয়াশা। ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত কুয়াশার চাদরে ঢেকে থাকে নবীনগর উপজেলা সদরসহ আশপাশের সড়ক ও জনপথ। এতে ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল ও স্বাভাবিক জনজীবন।
অতিরিক্ত শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু, বয়স্ক ও নিম্ন আয়ের মানুষজন।ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকে। বিশেষ করে সর্দি, কাশি ও জ্বরের প্রকোপ বেড়েছে।চিকিৎসকদের মতে, এই সময় শিশু ও প্রবীণদের জন্য বাড়তি যত্ন ও পরিচর্যা অত্যন্ত জরুরি।শীতের তীব্রতায় নবীনগরের বাজার ও ফুটপাতগুলোতে বেড়েছে গরম কাপড়ের কেনাবেচা।নবীনগর সদর বাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে ফুটপাতে সাজানো হয়েছে শীতের পোশাকের দোকান।
সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকেই স্বল্প মূল্যে শীতবস্ত্র কিনে নিচ্ছেন নিজেদের ও পরিবারের জন্য।
এদিকে শীত নিবারণের জন্য নদীর পাড়, রাস্তার মোড়, বাসস্ট্যান্ড ও পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে দেখা যাচ্ছে মানুষ খড়কুটো, কাঠ বা পুরোনো জিনিসপত্র জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছেন। কনকনে ঠান্ডায় আগুন জ্বালিয়ে শরীর গরম করছেন দিনমজুর, রিকশাচালক ও পথচারীরা।
শীতের পাশাপাশি ফুটপাতে দেখা যাচ্ছে মৌসুমি পিঠার দোকান। কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে গরম ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা ও পাটিসাপটা খেতে ভিড় করছেন বিভিন্ন বয়সের মানুষ।
শীতের আমেজে এসব পিঠা যেন বাড়তি স্বস্তি দিচ্ছে পথচারীদের।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এমন শীত আরও কয়েকদিন থাকতে পারে।আবহাওয়ার কারণে কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটছে অনেকের। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষজন পড়েছেন চরম বিপাকে।সচেতন মহল ও চিকিৎসকরা বলছেন, এই শীত মৌসুমে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
পর্যাপ্ত গরম কাপড় ব্যবহার, উষ্ণ খাবার গ্রহণ এবং অসুস্থ হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।পাশাপাশি শিশু ও বয়স্কদের প্রতি আলাদা করে যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সব মিলিয়ে, হাড় কাঁপানো এই শীতে নবীনগরের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, আর শীত মোকাবিলায় সবাইকে থাকতে হচ্ছে বাড়তি সতর্ক।
এনজে







সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













