পশ্চিম তীরে ১২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি শিশু ‘জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত’
সানবিডি২৪ প্রকাশ: ২০২৬-০১-০৫ ০৯:৫৫:২৮

দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক অভিযানে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ১২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি শিশু এখনো ‘জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি’র অবস্থায় রয়েছে। রবিবার এমনটাই জানিয়েছে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ। আনাদোলুর খবরে এমন তথ্য জানা গেছে।
২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী পশ্চিম তীরের উত্তরে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে। এই অভিযান প্রথমে জেনিন শরণার্থী শিবিরে শুরু হয় এবং পরে নূর শামস ও তুলকারেম শরণার্থী শিবিরে বিস্তৃত হয়।
ইসরায়েলি বাহিনী তিনটি শিবিরই অবরুদ্ধ করে রেখেছে। এর সঙ্গে অবকাঠামো, ঘরবাড়ি ও দোকানপাটে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এতে প্রায় ৫০ হাজার ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
মার্কিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইউএনআরডব্লিউএ জানায়, “অধিকৃত পশ্চিম তীরে ১২ হাজারের বেশি শিশু এখনো জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছে।
এই অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় ইউএনআরডব্লিউএ জানিয়েছে, তারা ‘২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাস্তুচ্যুত শিশুদের জন্য জরুরি শিক্ষা কর্মসূচি চালু করেছে।
সংস্থাটি আরো জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের জন্য তারা ‘অস্থায়ী শিক্ষাকেন্দ্র, অনলাইন পাঠদান, স্বশিক্ষণ উপকরণ বিতরণ এবং মানসিক-সামাজিক সহায়তার’ মাধ্যমে শিক্ষা সেবা দিচ্ছে।
ইউএনআরডব্লিউএ উল্লেখ করেছে, অধিকৃত পশ্চিম তীরজুড়ে তাদের স্কুলগুলোতে বর্তমানে ৪৮ হাজার শিশু পড়াশোনা করছে।
ফিলিস্তিনি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি বাহিনী ও অবৈধ বসতি স্থাপনকারীরা অধিকৃত পশ্চিম তীর—পূর্ব জেরুজালেমসহ অন্তত ১,১০৫ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে, প্রায় ১১ হাজারকে আহত করেছে এবং আনুমানিক ২১ হাজার জনকে আটক করেছে।
গত বছরের জুলাইয়ে দেওয়া এক ঐতিহাসিক মতামতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের দখলদারিত্বকে অবৈধ ঘোষণা করে এবং পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম থেকে সব বসতি উচ্ছেদের আহ্বান জানায়।
এনজে







সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













