হিলি দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি বন্ধ
জেলা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০২৬-০১-০৬ ১১:৪১:২১

অন্তর্বর্তী সরকার দেশীয় কৃষকের স্বার্থ বিবেচনা করে ভারত থেকে দেশে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। তবে পুরোনো আমদানির অনুমতি দিয়ে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত আমদানি করতে পারবেন আমদানিকাকররা। এদিকে আমদানি না হলে দেশের বাজারে পণ্যটির দাম বাড়বে বলে দাবি আমদানিকারকদের।
সোমবার সকাল থেকে নতুন করে ভারত থেকে দেশে কোনও পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়নি সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতর। তবে পুরোনো আমদানির অনুমতির বিপরীতে হিলিসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ১২ ট্রাকে ৩৪৪ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মোবারক হোসেন বলেন, দেশে পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠলে দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়। এর ফলে ৩ মাস বন্ধের পর আবারও গত ৭ ডিসেম্বর থেকে হিলি স্থলবন্দরসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। প্রথম দিকে আমদানির অনুমতির পরিমাণ কম দেওয়ায় চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছিল না। পরে আমদানির অনুমতি দেওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিলে দেশের সব বন্দরগুলো দিয়ে আমদানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম কমতে শুরু করে। বর্তমানে পেঁয়াজের দাম কমতে কমতে অনেকটা স্থিতিশীল অবস্থায় চলে এসেছে। দাম ৪০ থেকে ৫০টাকায় নেমে এসেছে।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা ইউসুফ আলী বলেন, দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার পণ্যটি আমদানির অনুমতি দিলে বেশ কিছুদিন ধরেই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে এটি আমদানি হচ্ছে। সোমবারও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। তবে এসব পেঁয়াজ আগের আমদানির অনুমতির বিপরীতে আসছে। সোমবার সকাল থেকে নতুন করে কোনও পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়নি। আমি এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা সোমবার থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি প্রদান বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে আগের ইস্যু করা আমদানির অনুমতির বিপরীতে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পণ্যটি আমদানি করা যাবে।
এনজে







সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













