
সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ সাবেক ১৩ সচিবের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানান।
ওবায়দুল কাদের, সাবেক সিএএজি ও সোনালী ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, ছাড়াও এ মামলায় অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— সেতু বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম, জননিরাপত্তা বিভাগের সাবেক সচিব কামাল উদ্দীন আহমদ, সাবেক বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আবদুল জলিল, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, সংসদ বিষয়ক বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সমন্বয়ক জুয়েনা আজিজ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মোফাজ্জেল হোসেন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সাবেক সিনিয়র সচিব কাজী শফিকুল আযম, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আখতার হোসেন ভূঁইয়া এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সাবেক সচিব ও এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।
মুসলিম চৌধুরীকে ২০১৮ সালের ১৫ জুলাই অর্থসচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরীকে সিএজি (কম্পট্রলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল) পদে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়। এর আগে ২০১৮ সালের ২৭ এপ্রিল সাবেক সিএজি মাসুদ আহমেদ অবসরে যান।
মুসলিম চৌধুরী ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের অডিট অ্যান্ড একাউন্টস্ ক্যাডারে যোগ দিয়ে কন্ট্রোলার জেনারেল অব একাউন্টস্, কন্ট্রোলার জেনারেল ডিফেন্স ফাইন্যান্স এবং অর্থ বিভাগের উপসচিব, যুগ্মসচিব ও অতিরিক্ত সচিব পদে দায়িত্ব পালন করেন।
মুসলিম চৌধুরীর জন্ম ১৯৫৯ সালে চট্টগ্রামে। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর এবং যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিন্যান্স অ্যান্ড একাউন্টিংয়ে ডিসটিংশনসহ এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।
আইএমএফ ইনস্টিটিউট এবং বিশ্ব ব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান থেকে সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা, ঋণ ব্যবস্থাপনা ও সামষ্টিক অর্থনীতি বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন মুসলিম চৌধুরী।