কুয়ালালামপুরে বিশেষ অভিযানে ৭ বাংলাদেশি আটক
সানবিডি২৪ আপডেট: ২০২৬-০১-২২ ০৯:০৩:০৯

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) অবৈধভাবে অভিবাসী পাচারের কাজে ব্যবহৃত একটি ‘সেফ হাউস’ থেকে সাত বাংলাদেশিকে আটক করেছে। রাজধানীর তামান মালুরি এলাকায় পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
এ বিষয়ে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) পরিচালিত ওই অভিযানে একটি সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পাঁচজন পুরুষকে আটক করা হয়, যাদের বয়স ২৭ থেকে ৪৪ বছরের মধ্যে। তারা সবাই পাচার হয়ে আসা অভিবাসী বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এছাড়া আরও দুইজনকে আটক করা হয়েছে, যাদের বয়স যথাক্রমে ৫৬ ও ২৮ বছর। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এদের একজন ‘সেফ হাউস’-এর তত্ত্বাবধায়ক বা ব্যবস্থাপক এবং আরেক পাচারচক্রের পরিবহন (ট্রান্সপোর্টার) হিসেবে কাজ করছিল।
ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক জানান, আটক অভিবাসীদের পাসপোর্ট পরীক্ষা করে দেখা গেছে, সেগুলোতে মালয়েশিয়ায় বৈধভাবে প্রবেশের কোনো অনুমোদিত সিল বা প্রবেশের ছাপ নেই। ধারণা করা হচ্ছে, তারা কেলান্তান সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথ বা তথাকথিত ‘ইঁদুরপথ’ ব্যবহার করে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেছে।
তিনি আরও বলেন, গোয়েন্দা তথ্যে জানা গেছে আটক অভিবাসীদের সঙ্গে ‘সিন্ডিকেট ইকবাল’-এর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। সম্প্রতি কেলান্তানে এই চক্রের বিরুদ্ধে সফল অভিযান চালিয়ে ইমিগ্রেশন বিভাগ।
তদন্তে উঠে এসেছে, পাচারচক্রটি মূলত স্থলপথ ব্যবহার করে অভিবাসী পাচারের কাজ চালিয়ে আসছিল। তামান মালুরির ওই অ্যাপার্টমেন্টটি পূর্ব উপকূল দিয়ে সদ্য প্রবেশ করা অভিবাসীদের জন্য অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র বা ‘সেফ হাউস’ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পরে তাদের মালয়েশিয়ার বিভিন্ন গন্তব্যে পাঠানো হতো।
আটক সবাইকে পরবর্তী তদন্তের জন্য পুত্রজায়ায় ইমিগ্রেশন বিভাগের সদর দপ্তরে নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মানবপাচার ও অভিবাসী পাচারবিরোধী আইন ২০০৭ (এটিপিসম আইন ৬৭০) এবং ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ (আইন ১৫৫)-এর আওতায় তদন্ত চলছে।
দাতুক জাকারিয়া শাবান বলেন, যারা অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয়, নিয়োগ বা সহায়তা দেবে-চক্র, নিয়োগকর্তা কিংবা সম্পত্তির মালিক সবার বিরুদ্ধেই কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এনজে







সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












