বড়পুকুরিয়ায় একটি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু
জেলা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০২৬-০১-২২ ১১:১৭:০২

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে চার দিন বন্ধ থাকার পর একটি ইউনিটের উৎপাদন শুরু করা হয়েছে। তবে এখনও বন্ধ রয়েছে আরও দুটি ইউনিট।
বৃহস্পতিবার সকালে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার রাত ৯টা ৩ মিনিট থেকে তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিটের উৎপাদন শুরু হয়। বর্তমানে এই ইউনিটের ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।
এর আগে রবিবার সকালে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন প্রথম ইউনিটের বয়লারের টিউব ফেটে যায়। এতে এই ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এই ইউনিট বন্ধের মাধ্যমে কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। কারণ, কেন্দ্রের অপর দুটি ইউনিট আগে থেকেই বন্ধ রয়েছে।
পরে প্রায় এক হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার বয়লারটি ঠান্ডা করে মেরামত শুরু করে কর্তৃপক্ষ। অবশেষে বুধবার রাত থেকে ইউনিটটি সম্পূর্ণভাবে মেরামত হয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে। এর আগে কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির উৎপাদন চালুর ব্যাপারে সুনির্দিষ্টভাবে জানাতে না পারলেও নূন্যতম এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছিল।
কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট চালু হলেও বাকি দুটি ইউনিটের উৎপাদন এখনও বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত বছরের ১ নভেম্বর থেকে বন্ধ আছে। আর ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে। তৃতীয় ইউনিট চালু করতে চীন থেকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আসছে। ফলে আগামী ফেব্রুয়ারি মাস থেকে চালু হতে পারে তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন– এমনটি বলছে কর্তৃপক্ষ। আর প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হওয়ায় দ্বিতীয় ইউনিটটি চালু করতে এখনও মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত হয়নি।
বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘প্রথম ইউনিট ও তৃতীয় ইউনিট নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালু রাখতে নভেম্বর থেকেই কাজ চলছে। আগামী ইরি-বোরো মৌসুম এবং নির্বাচনে যাতে বিদ্যুতের সমস্যা না হয় সেই টার্গেট রয়েছে। তবে যন্ত্রাংশের জটিলতার কারণে প্রথম ইউনিটে সমস্যা হয়েছিল। তৃতীয় ইউনিট ফেব্রুয়ারি মাসে চালু করতে দিন-রাত কাজ চলছে। আর দ্বিতীয় ইউনিট চালু করতে অতিরিক্ত অর্থ প্রয়োজন হওয়ায় সেটির ব্যাপারে এখনও চীনা কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে।
এনজে







সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













