ইরানের সঙ্গে জড়িত ৯ জাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ২০২৬-০১-২৪ ০৯:২২:৩৫


যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে সম্প্রতি বিক্ষোভ দমনে প্রাণহানির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশটির ওপর চাপ আরও বাড়িয়েছে। শুক্রবার দেশটির ‘শ্যাডো ফ্লিট’ এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়টি জাহাজ ও আটটি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা জাহাজগুলো এবং তাদের মালিকানা বা ব্যবস্থাপনায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো, যার মধ্যে ভারত, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংস্থাও রয়েছে। যারা সম্মিলিতভাবে শত শত মিলিয়ন ডলারের ইরানি তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য বিদেশি বাজারে পরিবহন করে।

ট্রেজারি বিভাগ আরও জানিয়েছে, এই আয়ের অর্থ মূলত ইরানি জনগণের প্রাপ্য হলেও বাস্তবে তা জনগণের মৌলিক অর্থনৈতিক সেবায় ব্যয় না হয়ে ইরানের আঞ্চলিক সন্ত্রাসী, অস্ত্র কর্মসূচি ও নিরাপত্তা বাহিনীর পেছনে খরচ করা হচ্ছে। যা ইরানের জনগণ সাহসের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেছে।

ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে বলেছেন, নতুন নিষেধাজ্ঞাগুলো ইরান সরকারের দমনমূলক কর্মকাণ্ডে অর্থ জোগানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসকে লক্ষ্য করে আরোপ করা হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, ইরানি জনগণের কাছ থেকে আত্মসাৎ করা এবং বিদেশি ব্যাংকে পাঠানোর চেষ্টায় থাকা কোটি কোটি ডলারের লেনদেন ট্রেজারি নজরদারিতে রাখবে।

যুক্তরাষ্ট্র যে জাহাজগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে, পালাউয়ের পতাকাবাহী সি বার্ড, আল দিয়াব-টু ও সিজারিয়া, এবং কমোরোসের পতাকাবাহী অ্যাভন ও চাইরন-৫।

উল্লেখ্য, ‘শ্যাডো ফ্লিট’ বলতে সাধারণত এমন জাহাজগুলোকে বোঝানো হয়, যেগুলো নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা তেল বহন করে। এসব জাহাজ বেশিরভাগই পুরোনো, মালিকানার তথ্য অস্পষ্ট এবং আন্তর্জাতিক মান পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় শীর্ষমানের বীমা কভারেজ ছাড়াই চলাচল করে। যা বড় তেল কোম্পানি ও অনেক বন্দর গ্রহণ করে না।

এনজে