ইসরায়েলের গোলাবর্ষণ ও তীব্র ঠান্ডায় দুর্দশায় গাজাবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক আপডেট: ২০২৬-০১-২৬ ০৮:৫৩:৫৯


ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার কথা বলা হলেও বাসিন্দাদের দুর্দশার লাঘব হয়নি। ইসরায়েলি ড্রোন হামলা ও গোলাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। এতে গাজাবাসীর শীতকালীন দুর্দশা আরও বেড়েছে। বাসিন্দারা দৈনন্দিন জীবনযাপনে সীমাহীন কষ্ট পাচ্ছেন। শনিবারও উত্তর গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালের কাছে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ড্রোন হামলা করে ইসরায়েল। এতে একই পরিবারের দুই শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

একদিকে ইসরায়েল মানবিক সহায়তায় বাধা দিচ্ছে, অন্যদিকে তীব্র জ্বালানি সংকটের কারণে রাতের বেলায় বাসিন্দারা শীতের মুখে পড়ছেন। কয়েক লাখ মানুষ পাতলা ক্যানভাস বা প্লাস্টিকের শিট দিয়ে তৈরি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে বাস করছেন। এতে ঠান্ডায় দুর্ভোগ বাড়ছে। অপুষ্টির আঘাতেও জর্জরিত তারা।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় শীতে তিন মাস বয়সী একটি শিশুসহ এই মৌসুমে ১০ শিশু হাইপোথার্মিয়ায় মারা গেছে। নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্স জানিয়েছে, শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

জাতিসংঘের মানবিকবিষয়ক সমন্বয় অফিস জানায়, তীব্র বাতাস সম্প্রতি শত শত তাঁবু ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ফিলিস্তিনে জাতিসংঘ সংস্থার প্রধান ফিলিপ লাজ্জারিনি বলেছেন, নিম্ন তাপমাত্রা, বাতাস ও বৃষ্টিপাত গাজাবাসীর দুর্দশাকে তিন গুণ করেছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় নিহত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭১ হাজার ৬৫৪ জনে। গত ১০ অক্টোবর প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতির পর থেকে প্রাণ গেছে ৪৮১ জনের।

এনজে