ভোলার বোরহানউদ্দিনে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে আহত ১৫
জেলা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০২৬-০১-৩১ ১৩:৪৮:৪৩

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোলা-২ আসনের বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
আহতদের মধ্যে ৬ জনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মনিরাম বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুই পক্ষ একে অপরকে দায়ী করেন।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মাকসুদুর রহমান জানান, আজ সকালের দিকে টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াতের নেতাকর্মীরা দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনী প্রচারণার যান।
এসময় স্থানীয় চকিদার বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় সেখানকার বিএনপির কর্মী বাহার ও সৌরভের নেতৃত্বে বিএনপি কর্মী ইউছুফ, আইয়ুব, শামিম, সোহাগ ও ইউনুস তাদেরকে বাধা দেন এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। এতে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুল হালিমসহ তাদের ১০-১২ জন আহত হয়েছে।
তিনি আরো জানান, হামলায় গুরুতর আহতরা হলেন—ফয়জুল্লাহ, ইমন, আবদুল হালিম, শাহে আলম, রায়হান, শামিম ও তানজিল। তাদের মধ্যে ৬ জনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও দুজনকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় টবগী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী তাৎক্ষনিক প্রতিবাদ মিছিল করেছেন।
এদিকে, পাল্টা অভিযোগ করে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সরোয়ার আলম খান জানান, সকাল ৭টার দিকে জামায়াতের কিছু কর্মী বিএনপি কর্মীর বাড়িতে প্রচারণায় যান।
এসময় বাড়িতে এক নারী গোসল করছিলেন। এর মধ্যে প্রচারণায় যাওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মীদের বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে স্থানীয় বাজারে বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে জামায়াতে কর্মীদের হাতাহাতি হয়। এতে তাদের ৪-৫ জন আহত হয়েছেন। পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
পরে জামায়াতের লোকজন জড়ো হয়ে এলাকায় মহড়া দেয়।
বোরহানউদ্দনি থানার ওসি মো. মনরিুজ্জামান জানান, গণসংযোগকালে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে জানানোর জন্য বলা হয়ছে।
বোরাহানউদ্দিন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মনোরঞ্জন বর্মন জানান, এ ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানালে সংঘর্ষ এড়াতে তাক্ষনিক ঘটনাস্থলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো লিখিত অভিযোগ পাননি তিনি।
এনজে







সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













