
দেশের অভ্যন্তরে ব্যক্তি পর্যায়ে বৈধ নগদ অর্থ বহনে কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান। তবে টাকার উৎস এবং কোন খাতে সেটা খরচ করবে সেটা অবশ্যই টাকাবহনকারীকে পরিষ্কার করতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। আর দেশের বাইরে ভ্রমণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশি মুদ্রা টাকা বহনের সর্বোচ্চ সীমা ১০ হাজার টাকা নির্ধারিত রয়েছে বলে জানান তিনি।
আজ বুধবার সন্ধ্যায় এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুখপাত্র বলেন, দেশের ভেতরে একজন ব্যক্তি তার প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো পরিমাণ নগদ অর্থ সঙ্গে রাখতে পারেন। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো সীমা আরোপ করেনি। টাকা বহনের সময় কেউ যদি তাকে আটক করে তাহলে ওই টাকার বৈধ উৎস ও কোন কাজে ব্যয় করবেন সেটা বলতে হবে।
তিনি আরও বলেন, তবে দেশের বাইরে যাওয়ার সময় বাংলাদেশি মুদ্রা বহনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা নেওয়া যাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, বিদেশ ভ্রমণের সময় বাংলাদেশি টাকার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা বহনের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকের মাধ্যমে পাসপোর্টে এনডোর্সমেন্ট করে নির্ধারিতন হিসাবে বছরে সর্বোচ্চ ১২ হাজার ডলাররবা সমপরিমান বৈদেশিক মুদ্রা নেওয়া যায়। যা প্রযোজ্য ক্ষেত্র হিসাবে ব্যবসায়িক, চিকিৎসা, শিক্ষা বা ব্যক্তিগত ভ্রমণের উদ্দেশ্যে ভিন্ন ভিন্ন সীমা প্রযোজ্য হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের ভেতরে নগদ অর্থ বহনে সীমা না থাকলেও বড় অঙ্কের অর্থ পরিবহনের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজন মনে করলে নগদের উৎস সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।
এএ