ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনার মাধ্যমে রংপুরে ৬টি আসনের ফলাফল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ঘোষিত এ ফলাফলে দেখা গেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।
রংপুর-১ আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী রায়হান সিরাজী (দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে) পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮৮ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মোকাররম হোসেন সুজন (ধানের শীষ প্রতীকে) পেয়েছেন ৫৯ হাজার ৪০৭ ভোট। তিনি ৯৫৫৮১ ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন।
রংপুর-২ আসনে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর এটিএম আজহারুল ইসলাম ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৮০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আলী সরকার ৭৯ হাজার ৯১০ ভোট পেয়েছেন।
রংপুর-৩ আসনে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮২৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মহানগর আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামু (ধানের শীষ প্রতীকে) পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৫৭৮ ভোট। এই আসনে তৃতীয় হয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের, যিনি ৪৩ হাজার ৩৮৫ ভোট পেয়েছেন।
রংপুর-৪ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন শাপলা (কলি প্রতীকে) ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৪৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাবেক জেলা সভাপতি এমদাদুল হক ভরসা (ধানের শীষ প্রতীকে) পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪৪ ভোট।
রংপুর-৫ আসনে জামায়াতের জেলা আমির অধ্যাপক গোলাম রব্বানী (দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে) ১ লাখ ৭৫ হাজার ২০৮ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোলাম রব্বানী (ধানের শীষ প্রতীকে) ১ লাখ ১৪ হাজার ১০৪ ভোট পেয়েছেন।
রংপুর-৬ আসনে জামায়াতের নুরুল আমিন (দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে) ১ লাখ ১৮ হাজার ৮৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সাইফুল ইসলাম (ধানের শীষ প্রতীকে) পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৯১৯ ভোট।
প্রসঙ্গত, রংপুরে ছয়টি সংসদীয় আসনে ৮৭৩টি ভোট কেন্দ্রে চার হাজার ৯৮৮টি বুথে ভোটারেরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলে ৪৪জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
এনজে