
কার্যকর-বাস্তবমুখী এবং প্রযুক্তিনির্ভর সফটওয়্যার তৈরি করতে পারলে শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর ধানমন্ডির ড্যাফোডিল প্লাজায় আয়োজিত ‘স্কিল ইজ ফিউচার : ইয়ুথ এমপ্লয়বিটি সামিট ২০২৬’ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে এমন প্রকল্প তৈরি করতে হবে, যা সরাসরি সমাজ ও রাষ্ট্রের বাস্তব সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রতিমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, বর্তমান সময়ের চাহিদা অনুযায়ী প্রযুক্তিনির্ভর ইনোভেটিভ প্রোজেক্ট তৈরি করতে হবে। এসব প্রকল্প দেশের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে তিনি ক্রাইম প্যাটার্ন রিকগনিশন ও ক্রাইম ডিটেকশন–সংক্রান্ত সফটওয়্যার তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, এ ধরনের কার্যকর ও বাস্তবমুখী সফটওয়্যার তৈরি করতে পারলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হবে। পাশাপাশি এসব উদ্ভাবনী প্রকল্প বাজারজাত করার ক্ষেত্রেও সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে বলে আশ্বাস দেন।
দক্ষতা অর্জনের গুরুত্ব তুলে ধরে ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকার শুরু থেকেই দক্ষতাভিত্তিক সমাজ গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শিক্ষা হবে ক্যারিয়ারভিত্তিক—এমন লক্ষ্য নিয়েই কাজ করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ সময় ও সম্পদ ব্যয় করে পড়াশোনা করে। এর বিনিময়ে তাদের একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিশ্চিত করতে হবে, আর সেই ক্যারিয়ার গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দক্ষতা।
তিনি আরও বলেন, দেশে দক্ষ মানবসম্পদের অভাব রয়েছে। এ কারণে অনেক ক্ষেত্রে বিদেশি কর্মীরা এসে কাজ করছে এবং আয় নিয়ে যাচ্ছে। এই নির্ভরতা কমাতে প্রাথমিক স্তর থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে দক্ষতার মানসিকতা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সরকার জবাবদিহির ভিত্তিতে কাজ করছে এবং নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দিনরাত পরিশ্রম করছে। একটি দক্ষ ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান।
বিএইচ