
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি এবং প্রান্তিক পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (সিএমএসএমই) খাতে পুনঃ অর্থায়ন সুবিধা পাওয়ার শর্ত শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো খেলাপি ঋণের উচ্চ হার এবং মূলধন বা তরল সম্পদের ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও এই তহবিল থেকে ঋণ সুবিধা পাবে।
রোববার (২৪ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা এক সার্কুলার লেটারে সব তফসিলি ব্যাংক ও ফাইন্যান্স কোম্পানির প্রধান নির্বাহীদের এই নির্দেশনা জানানো হয়েছে।
সার্কুলার সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৭ মার্চ জারিকৃত ‘এসএমইএসপিডি সার্কুলার নং-০১’ এর ১৪.৪.২ নং অনুচ্ছেদের দুটি প্রধান শর্ত থেকে রাষ্ট্রীয় ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত অব্যাহতি দেওয়া হলো।
অব্যাহতি পাওয়া শর্ত দুটি হলো:
১. শ্রেণিবিন্যাসিত বা খেলাপি ঋণ/বিনিয়োগের হার সর্বোচ্চ ২০% থাকার বাধ্যবাধকতা।
২. বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত হারে মূলধন পর্যাপ্ততা, নগদ সংরক্ষণের হার (সিআরআর) এবং বিধিবদ্ধ তরল সম্পদ সংরক্ষণের হার (এসএলআর) যথা নিয়মে বজায় রাখা।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে এবং এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে। এর ফলে দেশের প্রান্তিক অঞ্চলের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের কাছে ঋণ পৌঁছানো আরও সহজ হবে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বিএইচ