
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘আমরা সমাজের প্রতিটি মানুষকে বাজেটের আওতায় নিয়ে আসার চেষ্টা করেছি। কোনো শ্রেণি, পেশা, ধর্ম বা বর্ণ এবার বাজেটের আওতার বাইরে নেই।’
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেল ৩টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
বাজেট প্রণয়নে চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সাধারণত একটি পূর্ণাঙ্গ বাজেট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বাংলাদেশে কমপক্ষে ছয় মাসের একটি কর্মযজ্ঞ থাকে। তবে, আমাদের ক্ষেত্রে সময় ছিল মাত্র দেড় থেকে দুই মাস। এত কম সময়ের মধ্যে একটি বাজেট প্রস্তুত করা অত্যন্ত কঠিন কাজ ছিল। তারপরও সবার সহযোগিতায় আমরা কাজটি সম্পন্ন করেছি। আমরা কতটুকু সফল হয়েছি, সেই সিদ্ধান্ত দেশের জনগণই নেবে।
এবারের বাজেটের ভিন্ন প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, এই বাজেটের প্রেক্ষাপটটা সম্পূর্ণ আলাদা ছিল। দীর্ঘ এক ফ্যাসিবাদী শাসনের পর একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং এরপর নির্বাচিত সরকারের এই সময়টাতে জনগণ বাজেটের আসল কার্যকারিতা ফিরে পেয়েছে। বিগত প্রায় দেড় দশক ধরে দেশবাসী এমন একটি বাজেট মিস করেছে, যা সত্যিকার অর্থে জনগণের চিন্তার প্রতিফলন ঘটায়। বাজেট বলতে মূলত আমরা জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলনকেই বুঝি।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, বাজেট প্রণয়নে সরকারের মূল লক্ষ্য ছিল দেশের অর্থনীতিকে আরও গণমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করা। অতীতে অর্থনীতি কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। আমরা দীর্ঘদিন ধরে অর্থনীতির মূলধারার বাইরে থাকা সাধারণ মানুষের জন্যও সুযোগ সৃষ্টির চেষ্টা করেছি। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ, কর্মসূচি ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা রাখা হয়েছে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই বাজেট শুধু নীতিমালা নির্ধারণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ‘রোডম্যাপ’ বা রূপরেখাও বাজেটে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
বৈশ্বিক অর্থনীতির পরিবর্তনের দিকে ইঙ্গিত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, গত দেড় দশকে বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এসেছে। বিশ্ব এখন নিয়মভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা থেকে ক্রমশ সুরক্ষাবাদী (প্রটেকশনিস্ট) ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বৈশ্বিক এই পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট ও দেশের অভ্যন্তরীণ বাস্তবতা বিবেচনায় রেখেই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রোগ্রামিং ও বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে সরকার আগের প্রচলিত ধারা থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে। কারণ বিশ্ব অর্থনীতির প্রেক্ষাপট দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। অর্থনৈতিক চিন্তাভাবনা, বিনিয়োগের ধরন ও বিনিয়োগ মূল্যায়নের মানদণ্ডও বদলে যাচ্ছে। এ কারণে দেশের সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনার (পাবলিক ফাইন্যান্স) বিদ্যমান কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, স্থানীয় ব্যাংক থেকে সরকারের অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণ বেসরকারি খাতের জন্য ঋণপ্রাপ্তির সুযোগ সংকুচিত করে। অর্থনীতির ভাষায় যাকে ‘ক্রাউডিং আউট’ বলা হয়। স্থানীয় ব্যাংকগুলোর মূল গ্রাহক হওয়া উচিত বেসরকারি খাত, কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সরকারের ঋণ গ্রহণের কারণে সেই ভারসাম্য কিছুটা বিঘ্নিত হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে রাতারাতি বড় ধরনের পরিবর্তন সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, গত দেড় দশকে গড়ে ওঠা পরিস্থিতি একদিনে বদলানো যাবে না। তবে সরকার ধীরে ধীরে সেই পথে এগোচ্ছে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, চলতি বাজেটে স্থানীয় ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৪ থেকে ৫ হাজার কোটি টাকা কমানো হয়েছে। এর মাধ্যমে একটি নতুন প্রবণতা বা ধারা তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই ধারা অব্যাহত রাখা গেলে ভবিষ্যতে স্থানীয় ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণ আরও কমে আসবে। ফলে ব্যাংকিং খাতের ঋণের বড় অংশ বেসরকারি খাতের বিনিয়োগে প্রবাহিত হবে, যা উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সহায়তা করবে।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো এমন একটি আর্থিক কাঠামো গড়ে তোলা, যেখানে বেসরকারি খাত অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে পারবে এবং ব্যাংকিং খাতেও সরকারি ও বেসরকারি ঋণের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যকর ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে।
একই প্রশ্নের উত্তরে এর আগে অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বলেন, সরকার ধীরে ধীরে ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প অর্থায়নের উৎস জোরদার করার পথে এগোচ্ছে। তিনি বলেন, সরকার অর্থনীতিতে সরকারি বিনিয়োগ (পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট) বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। অতীতে যেখানে সরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ৮ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যে ছিল, সেখানে তা বাড়িয়ে ১৩ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। তার মতে, সরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে রাজস্ব আয়ও বাড়াবে।
ব্যাংক ঋণ প্রসঙ্গে অর্থ সচিব জানান, চলতি অর্থবছরে সরকারের ব্যাংক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা। নতুন বাজেটে তা কমিয়ে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, সরকারের সামনে এখন বিকল্প অর্থায়নের বেশ কিছু সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি সরকার ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকার সুকুক বন্ড ইস্যু করেছে, যা ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। এ বন্ডের বিপরীতে প্রায় ৭২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়েছে। এতে বোঝা যায়, বাজারে বিকল্প বিনিয়োগ মাধ্যমের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।
অর্থ সচিব বলেন, সরকার ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে ধীরে ধীরে ইক্যুইটি ও বাজারভিত্তিক অর্থায়নের দিকে যেতে চায়। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে গ্রিন বন্ড, অরেঞ্জ বন্ডসহ বিভিন্ন ধরনের বন্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের পুঁজিবাজার ও আর্থিক বাজারকে আরও গভীর ও কার্যকর করার প্রচেষ্টা চলছে।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, এসব সংস্কার ও নতুন অর্থায়ন কাঠামোর মাধ্যমে ভবিষ্যতে সরকারের ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে এবং অর্থায়নের উৎস আরও বহুমুখী হবে।
প্রস্তাবিত ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে মূল্যস্ফীতির হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে বর্তমানে মূল্যস্ফীতি প্রায় ৯ শতাংশের ঘরে অবস্থান করছে।
এর মধ্যে অর্থ সরবরাহ বৃদ্ধি, বড় আকারের বাজেট, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির মতো নানা ঝুঁকির প্রেক্ষাপটে এ লক্ষ্যমাত্রা কতটা বাস্তবসম্মত-এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের মূল কৌশল হবে দেশে ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমিয়ে আনা।
তিনি বলেন, কয়েক বছর ধরে মূল্যস্ফীতির চাপ অব্যাহত রয়েছে। এর সঙ্গে নতুন করে যোগ হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে আমদানিনির্ভর পণ্যের দাম বেড়েছে, যার প্রতিফলন দেশের বাজারেও পড়ছে। পাশাপাশি অতীতে লুটপাট ও অর্থপাচারের কারণে ব্যাংক খাতে বড় ধরনের মূলধন ঘাটতি তৈরি হওয়ায় তহবিলের ব্যয় বেড়েছে, যা মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দিচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বহির্বিশ্বের কারণে সৃষ্ট মূল্যস্ফীতির ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ সীমিত। তবে অভ্যন্তরীণভাবে ব্যবসার ব্যয় কমানো গেলে মূল্যস্ফীতির ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এ জন্য সরকার বিভিন্ন সংস্কার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
তিনি বলেন, দেশে একটি ব্যবসা শুরু করতে গিয়ে উদ্যোক্তাদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় এবং বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরতে হয়। এতে সময় ও অর্থ—দুইয়েরই অপচয় হয়। এছাড়া উচ্চ সুদহার, বন্দর ব্যবস্থাপনার অদক্ষতা, পণ্য খালাস থেকে কারখানা বা গন্তব্যে পৌঁছানো পর্যন্ত অতিরিক্ত ব্যয় এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশাসনিক অদক্ষতা ব্যবসার খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
আমির খসরু বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বাংলাদেশের ব্যবসা সহজীকরণ সূচকের অবস্থান নিচের দিকে। এর অর্থ ব্যবসা পরিচালনার ব্যয়ও তুলনামূলক বেশি। তাই বাজেটে বিভিন্ন খাতে ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব পদক্ষেপ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে মূল্যস্ফীতির চাপ কমানো সম্ভব হবে।
সরবরাহ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যায় পর্যন্ত পুরো সরবরাহ শৃঙ্খলের মূল্য পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। একই সঙ্গে তাৎক্ষণিক কেনাকাটার পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি সংগ্রহ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দেশের প্রয়োজন অনুযায়ী অন্তত তিন মাসের জ্বালানি, খাদ্য ও সার মজুত রাখার সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে। এজন্য পর্যাপ্ত গুদাম ও বাফার স্টক ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, অতীতে গ্যাস আমদানিতে স্পট মার্কেটের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার কারণে ব্যয় বেড়েছে। এ অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকার গ্যাস, তেল ও খাদ্য সংগ্রহে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। একই সঙ্গে বন্দর ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং দুর্নীতি কমানো গেলে আমদানি ব্যয়ও কমে আসবে।
বাজার নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, পুলিশ বা সরকারি কর্মকর্তাদের মাঠে নামিয়ে মূল্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। কার্যকর নীতি ও সুশাসনের মাধ্যমেই বাজার স্থিতিশীল রাখা যায়। নীতিগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা খুব কঠিন হবে বলে তিনি মনে করেন না।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, কৃষি, মৎস্য ও পানি সম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন এবং অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এবং প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। এটি স্বাধীন বাংলাদেশের ৫৫তম জাতীয় বাজেট এবং বর্তমান সরকারের মেয়াদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রথম বাজেট।
‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আগামী অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের তুলনায় প্রস্তাবিত বাজেটের আকার বেড়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা।
এএ