বাংলাদেশের মানুষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও গণতন্ত্রে বিশ্বাসী বলে মন্তব্য করেছেন ড. হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করছেন। ধর্ম, বর্ণ বা জাতিগোষ্ঠী নির্বিশেষে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক রাষ্ট্র ও সমাজে সমান মর্যাদা পান।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে পালন করে থাকেন এবং কেউ কারও ধর্ম পালনে বাধা সৃষ্টি করে না। তিনি দাবি করেন, ভারতে মুসলমান ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে এবং তাদের বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। এছাড়া, মুসলমানদের বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টার অভিযোগও করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের পর থেকে মুসলমানদের ওপর নির্যাতন বেড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মসজিদ ও খ্রিস্টান চার্চে হামলার ঘটনাও ঘটছে বলে তিনি দাবি করেন। এসব ঘটনার নিন্দা জানিয়ে মুসলমানসহ সব ধর্মাবলম্বী মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এলবার্ট পি. কস্তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরওয়ার তুষার।
বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন তেজগাঁও শাখার সভাপতি স্বপন হাওলাদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, ফা. এলবার্ট টমাস রোজারিও, রেভা. ডেভিড ঘোষ, পবিত্র প্রামাণিক ও জ্যাকসন গোমেজ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্যার নবাব সলিমুল্লাহ একাডেমির প্রেসিডেন্ট আব্দুল জব্বার এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিসে শুরা সদস্য ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম।