যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি। বৃহস্পতিবার ইরানের অভ্যন্তরে জোরালো বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এর জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ করেছে তেহরান।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কঠোর নিয়ন্ত্রণ শিথিল করার চাপ সৃষ্টি করতে অবকাঠামোতে আঘাত হানার যে হুমকি দিয়েছিলেন, তারই অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা এবার আরও জোরদার করা হয়েছে। মার্কিন বাহিনী এখন ইরানের বিভিন্ন সেতু লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের কয়েক ডজন সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্র, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, সামরিক লজিস্টিক অবকাঠামো এবং নৌ সক্ষমতার বিভিন্ন স্থাপনা।
খামেনির জানাজায় শরিক হয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ ইরাকি প্রধানমন্ত্রীরখামেনির জানাজায় শরিক হয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের তথ্যমতে, শুক্রবার রাতভর দেশটির দক্ষিণ অঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশে মার্কিন বিমান হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। হরমুজ প্রণালির উপকূলে অবস্থিত বন্দর খামির শহরে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সেতুতে হামলা চালানো হবে- ট্রাম্পের এমন হুমকির জবাবে বৃহস্পতিবার তেহরান সতর্ক করে বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে তারাও এই অঞ্চলের সব অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা আঘাত হানবে। তবে উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যেও হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট এখনও ‘কূটনীতির পথ খোলা’ রেখেছেন।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
এনজে