
ব্রিটেনের বাকিংহাম প্যালেসে রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাতের পর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। চার বছরেরও কম সময়ে চতুর্থ এবং এক দশকের মধ্যে ষষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে সোমবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হয়েছেন তিনি।
দেশটির দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান বলছে, শুক্রবার লেবার পার্টির নেতা হিসেবে কিয়ার স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত হন বার্নহ্যাম। এরপর সোমবার রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। ওই সময় দেশটির নতুন সরকার গঠনের জন্য বার্নহ্যামকে আমন্ত্রণ জানান রাজা চার্লস। তার কিছুক্ষণ আগে বাকিংহাম প্যালেসে গিয়ে রাজার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন স্টারমার।
রাজার কাছ থেকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ পাওয়ার পর গ্রেটার ম্যানচেস্টারের সাবেক এই মেয়র সরাসরি ডাউনিং স্ট্রিটে যান। সেখানে মন্ত্রিসভা ঘোষণার আগে উপস্থিত গণমাধ্যমের সামনে বক্তব্য দেন তিনি।
রাজনৈতিক একাধিক ভুল পদক্ষেপ এবং ঘন ঘন সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কারণে দেশটির সদ্য পদত্যাগ করা প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার অনেক লেবার এমপি ও কয়েকজন মন্ত্রীর সমর্থন হারিয়েছিলেন। ব্রিটেনের টালমাটাল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তাকে সরানোর সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে সহযোগীদের আয়োজিত উপ-নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদে ফেরেন বার্নহ্যাম।
দল থেকে অন্য কেউ নেতা হওয়ার প্রতিযোগিতায় না নামায় বিনা-প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং সীমিত পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন বার্নহ্যাম।
২০২২ সালেও দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছিল। তবে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই লিজ ট্রাসের বিরুদ্ধে নির্বাচনে লড়াই করেছিলেন সুনাক। এমনকি ট্রাসের সর্বশেষ মন্ত্রিসভায় কাজের অভিজ্ঞতাও ছিল তা।
বার্নহ্যাম এর আগেও দেশটির এমপি এবং ক্যাবিনেট মন্ত্রী ছিলেন। তবে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়রের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য ২০১৭ সালে সংসদ ছেড়েছিলেন তিনি। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।
বিএইচ