গাজীপুরে আবাসিক হোটেল থেকে শান্তা বেগম (৩৩) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের সঙ্গে হোটেলে অবস্থানকারী ব্যক্তি লিখন মিয়াকে (৩৫) খুঁজছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাতে মহানগরীর বাসন থানার চান্দনা-চৌরাস্তা এলাকায় ‘ই ভ্যালি’ আবাসিক হোটেলের ৩০৭ নম্বর কক্ষ থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শান্তা বেগম গাইবান্ধার জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপির) বাসন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুপক জানান, সোমবার (২১ জুলাই) দুপুরে শান্তা বেগম লিখন মিয়া (৩৫) পরিচয় ব্যবহারকারী এক ব্যক্তির সঙ্গে হোটেলে ওঠেন। ঘটনার পর থেকে ওই ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য অভিযান শুরু হয়েছে। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে বিভিন্ন আলামত ও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ প্রমাণ পেয়েছে হোটেলে কক্ষ ভাড়া নেওয়ার সময় লিখন মিয়া ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করেছেন। তার দেওয়া জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যথাযথভাবে যাচাই না করেই হোটেল কর্তৃপক্ষ কক্ষ ভাড়া দিয়েছে। নিহতের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মামলা দায়ের করা হবে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপির) বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বলেন, পুলিশ ওই হোটেলের কক্ষ থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। পুলিশ হত্যার কারণ উদঘাটনে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে। তদন্তের অগ্রগতির মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য এবং পলাতক ব্যক্তির প্রকৃত পরিচয় দ্রুত উদঘাটন করা সম্ভব হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এনজে