
তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় গাজীপুর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামানকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তবে মামলার মূল নথি আদালতে না থাকায় তার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হয়নি।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফ রেজা।
রিমান্ডের মেয়াদ শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির তেজগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক মো. মাসুদুর রহমান আখতারুজ্জামানকে আদালতে হাজির করেন। একই সঙ্গে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়।
আখতারুজ্জামানের পক্ষে আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন জামিনের আবেদন করেন। তবে মামলার মূল নথি আদালতে না থাকায় ওই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গত ৫ আগস্ট রাতে রাজধানীর গুলশানের একটি বাসা থেকে সাবেক এই সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
পরে তাকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। কিন্তু সেদিনও মামলার মূল নথি না থাকায় রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি হয়নি। আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে রিমান্ড শুনানির জন্য পরবর্তী সোমবার দিন ধার্য করেন।
সোমবার শুনানি শেষে আদালত আখতারুজ্জামানের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সেই রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার তাকে ফের আদালতে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠানোর আদেশ আসে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৮ জুন সকালে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৩৫ থেকে ৪০ জন নেতাকর্মী একটি মিছিল বের করেন।
এজাহারে বলা হয়েছে, মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ। সেই মামলাতেই গ্রেপ্তার হয়ে তিন দিনের রিমান্ড শেষে বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন সাবেক এমপি আখতারুজ্জামান।
বিএইচ