
রাজধানী পুরান ঢাকায় দিন দুপুরে সাংবাদিক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় কথিত ছাত্রলীগের এক নেতাকে আটক করেন স্থানীয় এলাকাবাসী। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা ওই নেতাকে মারধর করে এলাকা ছাড়া করেন। শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় সূত্রাপুর ডালপট্রি মোড়ে একটি মেস বাসায় এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত এই নেতার নাম মোবারক হোসেন। তিনি নিজেকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বলে দাবি করে থাকেন।
এছাড়া ও তিনি বিডিনিউজ টোয়ান্টিফোর ডট কমের স্টাফ রির্পোটার। এসময় আপত্তিকর অবস্থায় বৈশাখী নিউজের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি ফারহানা রত্নাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেন। জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে এক নারী সাংবাদিককে বাসায় ডেকে নেয় মোবারক। ব্যাচেলর বাসায় একজন নারীকে প্রবেশ করতে দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। এ সময় উপস্থিত জনতা তার বাসায় অভিযান চালিয়ে হাতে-নাতে আপত্তিকর অবস্থায় ধরেন তাদেরকে।
এ ঘটনা কোনভাবে প্রকাশ না করার জন্য মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মিমাংসা করার চেষ্টা করেন এবং তাদের কাছে ক্ষমা চান মোবারক। কাজী মোবারক হোসেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী। এছাড়া সম্প্রতি ছাত্রলীগের নেতাদের ম্যানেজ করে ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদকের পদ দাবি করে আসছেন।
স্থানীয়রা জানান, পুরান ঢাকার ডালপট্টি মোড়ের একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন মোবারকসহ কয়েকজন। এ বাসায় আনুমানিক ২২-২৩ বছর বয়সী একটি নারীকে নিয়ে আসেন মোবারক। এতে সন্দেহ হলে স্থানীয় লোকজন ওই বাসায় তাদেরকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে। পরে এ খবর পেয়ে জবি ছাত্রলীগের কর্মীরা সেখানে যান। এ সময় সবার সামনে ক্ষমা চেয়ে ছাড়া পান ওই নারী ও মোবারক।
খোঁজ নিয়ে আরো জানা গেছে, ওই নারী সাংবাদিকের সঙ্গে অনেক দিন ধরে সর্ম্পক রয়েছে তার। এই সুযোগ নিয়ে তাকে নিজের বাসায় নিয়ে আসেন মোবারক। ওই নারী সাংবাদিকের মা সামশুর নাহার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকানেত্রী বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, মোবারক হোসেন ছাত্রলীগের কেউ নয়। বরং সে নিজেকে মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বেড়ায়। এ বিষয়ে আমি তাকে ডেকে কয়েকবার নিষেধ করেছি। সে সাংবাদিকতা করে। তার ছাত্রলীগ পরিচয় সর্ম্পূন মিথ্যা ও বানোয়াট।
সানবিডি/জবি/ইসমাইল