
বেলারুশ, মরক্কো ও সৌদি আরব থেকে ১ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৩০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি, ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি এবং ৪০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার রয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে বেসরকারি পর্যায়ে বেলারুশ থেকে মেসার্স সুফলা ট্রেডিং কর্পোরেশনের মাধ্যমে ৩০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়। প্রতি মেট্রিক টন এমওপি সারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৯৮.৯৭ মার্কিন ডলার। এ হিসাবে মোট ক্রয়মূল্য ১১৯ কোটি ৬৯ লাখ ১০০ মার্কিন ডলার। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৯২ পয়সা ধরা হলে এই সারের মূল্য দাঁড়ায় ১৪৭ কোটি ২০ লাখ টাকা।
বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়েল আর এক প্রস্তাবের প্রেক্ষিত্রে জিটুজি পদ্ধতিতে মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস, এস.এ এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রতি মেট্রিক টন ডিএপি সারের মূল্য ধরা হয়েছে ৮৮৯.৩৩ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশে মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৩৯ কোটি ৮৬ লাখ ২৬ হাজার ১৮০ টাকা।
অন্যদিকে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রতি মেট্রিক টন ইউরিয়া সারের মূল্য ধরা হয়েছে ৩৯১.৬৬ মার্কিন ডলার। এতে মোট ক্রয়মূল্য দাঁড়ায় ১৯৩ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার ৩৬০ টাকা।
বিএইচ