
ফ্যাসিবাদী সময়ে বিরোধী মত প্রকাশের পরিসর সংকুচিত হলেও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) কিছুটা আশ্রয়ের জায়গা হিসেবে কাজ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ডিআরইউর ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র্যালিতেও অংশ নেন তিনি।
রিজভী বলেন, আমাদের দলীয় কার্যালয়ে নানা সময়ে যখন কোনো আশ্রয় ছিল না, তখন আমরা মনে করতাম ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি আমাদের একটি আশ্রয়ের জায়গা।
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সময়ে বিরোধী মতের মানুষ কোথায় দাঁড়াবেন, কোথায় কথা বলবেন—সেই জায়গা ছিল না। ‘সেটা কিছুটা ছিল এই ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে।
নিজের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, জুলাই আন্দোলনের ১৯ জুলাই প্রেস ক্লাবের ভেতর থেকে তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। প্রেস ক্লাবের তৎকালীন কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে শুনেছেন, তবে এর সত্যতা তিনি জানেন না।
গত ১৭ বছরের গণমাধ্যম পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক টেলিভিশন ও পত্রিকা থাকলেও মতপ্রকাশের সুযোগ ছিল সীমিত। এর বাইরে যারা কথা বলার চেষ্টা করেছেন, তাদের ভয়, গুম কিংবা কারাগারের শিকার হতে হয়েছে।
রিজভী বলেন, মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকেরা নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও গণতন্ত্রের আলো জ্বালিয়ে রেখেছেন। সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের কাজ হলো যাচাই-বাছাই করে সত্য প্রকাশ করা। সত্য প্রকাশ করতে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি এলেও সাংবাদিকদের সেই ঝুঁকি নিতে হয়।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন হলে সমাজে সন্ত্রাস ও দুর্নীতি কমবে এবং সমাজ আরও পরিচ্ছন্ন হবে।
বিএইচ