
ইরানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে মধ্যপ্রাচ্যের কোনো অবকাঠামোই নিরাপদ থাকবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি এ খবর জানিয়েছে।
আইআরআইবির প্রতিবেদনে গালিবাফের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, যে অঞ্চলে ইরান তেল বিক্রি করতে পারবে না, সেখানে অন্য কেউও তেল বিক্রি করতে পারবে না।
যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশকে সতর্ক করে গালিবাফ বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকি বা ‘দুঃসাহসিক পদক্ষেপের’ জবাব দ্রুত ও কঠোরভাবে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ইরানের ওপর নৌ অবরোধ আরোপ, আকাশপথ বন্ধ করা এবং দেশটির বাণিজ্যপথে চাপ সৃষ্টির মার্কিন চেষ্টা ব্যর্থ হবে।
আইআরআইবি জানায়, হরমুজ প্রণালি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের জবাবে এসব কথা বলেছেন গালিবাফ। তিনি বলেন, ইরানের অবস্থান স্পষ্ট—দেশটির নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে অঞ্চলটির কোনো অবকাঠামোই নিরাপদ থাকবে না।
এদিকে আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ইরানের জনগণের সম্পদ লুট করা এবং দেশটিকে বিভক্ত করা।
মোহেবি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য আমাদের জনগণকে লুট করা এবং আমাদের মাতৃভূমিকে বিভক্ত করা। তিনি জানান, মার্কিন জনগণের উদ্দেশে পাঠানো আইআরজিসির চিঠির উদ্দেশ্য সত্য তুলে ধরা, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করা নয়।
মার্কিন নাগরিকদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে আইআরজিসির এই কর্মকর্তা বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের ইরানে হামলার সঙ্গে পরমাণু অস্ত্রের কোনো সম্পর্ক নেই।
মোহেবির দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের মূল উদ্দেশ্য ইরানের জনগণ ও তাদের সম্পদ লুট করা। পাশাপাশি দেশটিকে বিভক্ত করে আবারও নিজেদের নিয়ন্ত্রণে ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় ওয়াশিংটন।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা নিজেরাও জানেন, ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে না। সূত্র: আল-জাজিরা
বিএইচ