
বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে দ্রুত যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনের তাগাদা দিয়েছেন দুবাই ও উত্তর আমিরাতে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. রাশেদুজ্জামান। এ বিষয়ে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এফবিসিসিআই। এর আগে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. রাশেদুজ্জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এফবিসিসিআইর প্রশাসক মো. ফজলুল হক। এ সময় বাংলাদেশ-আরব আমিরাত যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে কনসাল জেনারেল জানান, দুদেশের মধ্যে একটি যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনের প্রস্তাবটি বহু আগে থেকেই আলোচনায় রয়েছে। তবে বর্তমানে আরব আমিরাতের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে এবং যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনে নতুন করে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দু‘দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত নিরসন করা যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিজনেস কাউন্সিল গঠনে এফবিসিসিআই’র পক্ষ থেকে দ্রুত প্রয়োজনীয় এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন প্রশাসক মো. ফজলুল হক।
বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যসহ বৈশ্বিক হালাল পণ্যের বাজারে বাংলাদেশের প্রবেশাধিকার এবং রপ্তানি সম্প্রসারণের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। মুসলিম রাষ্ট্রসমূহে বাংলাদেশি হালাল পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের সহযোগিতা আহ্বান করেন এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. ফজলুল হক। এ বিষয়ে উভয় পক্ষ সমন্বিতভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দুবাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের কমার্সিয়াল কাউন্সিলর আশিষ কুমার সরকার। তিনি জানান, তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর উদ্যোগে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া তৈরি পোশাক মেলায় অংশগ্রহণে এরই মধ্যে দুবাইয়ের একাধিক শীর্ষ প্রতিষ্ঠান আগ্রহ জানিয়েছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে মেলায় আমন্ত্রণের পরামর্শ দেন তিনি।
এদিকে, বুধবার এফবিসিসিআইর প্রশাসক মো. ফজলুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দুবাইয়ের শীর্ষ বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি এবং নতুন বাণিজ্যের দ্বার উন্মোচনে তাদের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
এএ