
ইসমাইলের লড়াইটা শুরু দ্বিতীয় শ্রেণী থেকে। মাঝে পেরিয়েছে ১২ টি বছর। এখন পড়শোনা করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিযুদ্ধে জয়ী হলেও জীবনযুদ্ধে হারতে বসেছেন তিনি। বলছি দূরারোগ্য ব্যাধি পার্থেস ডিজিজ ও ঐইংঅম ভাইরাসে আক্রান্ত ইসমাইল হোসেনের কথা।
ইসমাইলকে বাঁচাতে প্রয়োজন প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা। সঙ্গে প্রয়োজন সকল শ্রেণি পেশার মানুষের আর্থিক সহযোগিতা। তবেই ইসমাইল জীবনযুদ্ধ জয়ের শক্তি ফিরে পাবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলের ঝিকড়া গ্রামে বাড়ি ইসমাইলের। তিন ভাইবোনের মধ্যে ইসমাইল বড়। এক বোনের বিয়ে হয়েছে। ছোট বোনটি পড়াশোনা করছে চতুর্থ শ্রেণিতে। বাবা সোহরাব আলী পেশায় একজন ভ্যানচালক। অভাব আর টানাপোড়নোর সংসারে একমাত্র আশার প্রদীপ ছিলো ইসমাইল। কিন্তু সে আশার প্রদীপও নিভতে বসেছে। সোহরাব আলী স্বপ্ন দেখতেন ছেলে একদিন বড় হবে, সংসারের অভাব ঘুচবে। কিন্তু সে স্বপ্নের মানুষটি আজ মৃত্যুর পথযাত্রী।
ইসমাইল বলেন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকে এ রোগে আক্রান্ত হলেও টের পাইনি। সে সময় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তখন থেকে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতাম। এখন দরিদ্র বাবার পক্ষে পরিবার আর আমার চিকিৎসার ব্যয়ভার চালিয়ে যাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
ইসমাইল আরো বলেন, চিকিৎসকরা জানিয়েছে দ্রুতই উন্নত চিকিৎসা করা দরকার, প্রয়োজনে দেশের বাইরে গিয়ে। এরই মধ্যে তিনি ভারতের মাদ্রাজে চিকিৎসার নেওয়ার জন্য পার্সপোট করতে দিয়েছি। দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার জন্য যেতে হবে। প্রয়োজন প্রায় ৫ লক্ষ টাকা। একমাত্র সমাজের বিত্তবানরা পারে আমাকে বাঁচাতে। আমার মা-বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে।
ইসমাইলকে সহায়তা করতে চাইলে তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে (০১৭৫০-১০৭৪৮১) যোগাযোগ করতে পারেন।
সানবিডি/ঢাকা/এসএস