
তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ব্যবসায়ীদের ডাকা বৃহস্পতি ও শুক্রবারের ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। এছাড়া ব্যবসায়ীদের দাবিকৃত কমিশন নির্ধারণে ২৯ অক্টোবর গণশুনানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এলপিজি ব্যবসায়ীদের ঘোষিত ধর্মঘট প্রত্যাহার না করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল সরকার।
আজ সকালে এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সচিবালয়ে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ হুঁশিয়ারি দেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট করে পণ্যের মূল্য বাড়ানোর চেষ্টা গ্রহণ করা হবে না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে ১৯৫৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এলপিজির সঙ্গে লাখ লাখ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা জড়িত। এ পণ্য নিয়ে কোনো কারসাজি সরকার মেনে নেবে না।
গত ১২ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হয়রানি বন্ধ, কমিশন পুনর্নির্ধারণ এবং অব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার পুনরায় বাজারে ছাড়ার দাবিতে আগামী ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারাদেশে এলপিজি দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন পরিবেশকরা।
এএ