রাজ্জাক থেকে যেভাবে হয়েছিলেন ‘নায়করাজ’
প্রকাশ: ২০১৭-০৮-২২ ১০:৫৬:১৫

দেশের কিংবদন্তি জ্যেষ্ঠ অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক সোমবার ইউনাইটেড হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পরে বিকাল ৫টা ২০ মিনিটে ইউনাইটেড হাসপাতালে নেয়া হয় নায়ককে। সেখানে সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।রাজ্জাক থেকে নায়করাজ হয়ে ওঠার গল্পটা অনেকের কাছেই অজানা। ‘নায়করাজ’ উপাধিটি কীভাবে তার নামে চলে এলো! কেমন করে তিনি হলেন আমাদের নায়করাজ। চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি তার ৭৬তম জন্মদিনে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন তার প্রিয় মানুষদের তালিকায় আছেন জহির রায়হান। ছিলেন আরো একজন। প্রখ্যাত চলচ্চিত্র সাংবাদিক আহমদ জামান চৌধুরী, যাকে সবাই খোকাভাই নামে চিনেন।
খোকাভাইয়ের সঙ্গে দারুণ সম্পর্ক ছিল রাজ্জাকের। তার নায়করাজ উপাধিটিও খোকাভাইয়ের দেয়া। রাজ্জাকের স্মৃতিচারণে উঠে এসেছিল সেদিনকার আরো কত গল্প। শুধু তাই নয়, বলতে গিয়ে বাচ্চাদের মতো কেঁদে ফেলেছিলেন তিনি কৃতজ্ঞতায়।
নায়ক রাজ্জাক বলেছিলেন, ‘আমার জীবনের সবচেয়ে বড় বন্ধু, সবচেয়ে বড় শত্রু খোকাভাই। ওর সঙ্গে কথাকাটাকাটিই নয়, মারামারি পর্যন্ত হয়েছে আমার। তবুও আমার প্রাণের বন্ধু সেই। যখনই মন খারাপ হয়েছে তাকে ডেকেছি। সেও আসত। দুজনে অনেক সময় কাটিয়েছি।’
আমার যে নায়করাজ উপাধি সেটিও ও দিয়েছিল। জিজ্ঞেস করা হয়েছিল এই উপাধি কেন? উত্তর দিল- ‘উত্তমকুমার যদি ওপার বাংলার মহানায়ক হতে পারে তুমিও আমাদের নায়করাজ।’
চলচ্চিত্র সাংবাদিকতার কিংবদন্তি সাংবাদিক আহমদ জামান চৌধুরী। একাধারে আরো ছিলেন চলচ্চিত্রের কাহিনী, চিত্রনাট্য, সংলাপ ও গীতিকার। চলচ্চিত্রকে তিনি ভালোবেসেছিলেন হৃদয় থেকে। চলচ্চিত্রের প্রতি অগাধ ভালোবাসার কারণেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতাকে ছেড়ে চলচ্চিত্র সাংবাদিকতায় যোগ দেন।
‘পিচঢালা এ পথটারে ভালবেসেছি’, ‘যেও না সাথী’, ‘চুরি করেছো আমার মনটা’র মতো অসংখ্য জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা ছিলেন তিনি। ৬ মার্চ, ২০১৩ সালে খোকা ভাই চলে যান না ফেরার দেশে।







সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন












