জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানরে ৪৩তম শাহাদাত বার্ষীকি জাতীয় ও শোক দিবস পালন করেছে চাঁদপুর সদরের ১৪নং রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ। ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে এ দিবসটি পালন করা হয়।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ১৪ নং রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হযরত আলী বেপারী। আর অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শাহজাহান মোল্যা।
এতে আরও বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আলাউদ্দিন বেপারি, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাজালাল প্রধানিয়া,হুকুম আলী, কবির হোসেন বাচ্চু মাস্টার্স,আবু হানিফ প্রধানিয়া, চাঁদপুর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারণ পারবেজ রনি,রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক জহির সরকার ও সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক বেলাল দেওয়ান, সদস্য মনির বেপারি,জুয়েল বেপারি, দেওয়ান শাহজালাল, জালাউদ্দিন, সুমন প্রধানীয়া প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা জাতির জনক ও তার পরিবার বর্গের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেন রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ,যুবলীগ, ছাত্রলীগ সহ এর অঙ্গসংগঠন নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার সর্ব স্থরের জনসাধারণ।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে ঘাতকরা বঙ্গবন্ধু ছাড়াও তার স্ত্রী বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব, তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল, শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল, শেখ জামালের স্ত্রী রোজী জামাল ও বঙ্গবন্ধুর ছোট ভাই শেখ নাসেরকে হত্যা করে। সেই রাতেই নিহত হন বঙ্গবন্ধুর বোনের স্বামী আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ, মেয়ে বেবী ও শিশুপৌত্র সুকান্ত বাবু, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যুবনেতা শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি, নিকটাত্মীয় শহীদ সেরনিয়াবাত ও রিন্টু। ধানমন্ডির বাড়িতে পুলিশের বিশেষ শাখার সাব ইন্সপেক্টর সিদ্দিকুর রহমান ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিলকেও গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দেশের বাইরে থাকায় সে সময় প্রাণে বেঁচে যান। বঙ্গবন্ধুকে জন্মস্থান গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় দাফন করা হলেও পরিবারের অন্য সদস্যদের ঢাকার বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।