বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আমরা আর জিএসপি সুবিধা চাই না। কাজেই এ নিয়ে আমরা কোনও আবেদন করবো না। এছাড়া আমরা মধ্যম আয়ের দেশ হয়ে গেছি। এটি যখন কার্যকর হবে তখন আমরা এমনিতেই জিএসপি সুবিধা পাবো না। কাজেই জিএসপি নিয়ে আমাদের কোনও মাথাব্যথা নাই।’
বৃহস্পতিবার (৩০ আগস্ট) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের এশিয়া অঞ্চলের বাণিজ্য বিভাগের নির্বাহী পরিচালক জেমস গোলসেনের নেতৃত্বে বাণিজ্য বিষয়ক একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে আমরা এফটিএ (ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট) করবো। এই লক্ষ্যে মার্কিন দূতাবাসে বাংলাদেশের কমার্শিয়াল উইং খোলার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ এখন আর তলাবিহীন ঝুড়ি নয়। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মডেল।’
তিনি বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের প্রধান বাজার। সেখানে আমাদের দেশের পণ্য রফতানির পরিমাণ প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার (৫.৯৮ বিলিয়ন)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিনই আমাদের রফতানির পরিমাণ বাড়ছে। দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’
যুক্তরাষ্ট্র সরকারের এশিয়া অঞ্চলের বাণিজ্য বিভাগের নির্বাহী পরিচালক জেমস গোলসেন বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভালো বন্ধু। বাংলাদেশের সঙ্গে আমরা বিভিন্ন বিষয়ে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহী। মার্কিন দূতাবাসে কমার্শিয়াল উইং খোলার ব্যাপারে আমাদের আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ ভালো করছে।’
উল্লেখ্য ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ৪১ বিলিয়ন ডলার অর্জন করেছে। চলতি অর্থ বছরে রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।