
‘ঋণ খেলাপিদের মনোভাব আজও পরিবর্তন হয়নি। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা ঋণ নিয়ে আর ফেরত দিতে চান না। তারা নির্লজ্জ।’
বৃহস্পতিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ব্যবসায়ীদের সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশের (আইবিএফবি) প্রেসিডেন্ট হুমায়ন রশীদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
ঋণ খেলাপির এক উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘অনেক আগে একজন ঋণ খেলপিকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে আপনি ঋণ পরিশোধ করছেন না কেন? তখন তিনি বলেছিলেন ঋণ পেতে আমার অনেকগুলো জুতা ক্ষয় হয়েছে, এটা আমি আর পরিশোধ করবো না। এমন মনোভাব তাদের এমনই রয়ে গেছে। এটা দুঃখজনক।’
তিনি আরও বলেন, ‘খেলাপি ঋণ কীভাকে আদায় করা যায় এ বিষয়ে একটা প্রতিবেদন আমি তৈরি করছি। আমার শেষ মেয়াদে প্রতিবেদনটি আমার উত্তরাধিকারিদের দিয়ে যাবো। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক বিভাগের কর্মকর্তাদের সাহায্য নিয়ে এ প্রতিবেদন তৈরি করছি। ওই প্রতিবেদনে একটা বিষয় উল্লেখ থাকবে যে ১০ শতাংশ খেলাপি ঋণ হলেই তার বিরুদ্ধে অ্যাকশন নিতে হবে।’
এছাড়াও সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল কোনও চ্যালেঞ্জই নয় বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কোটা বাতিলের বিষয়ে আমার কিছু কথা হয়েছিল। তিনি কোটা বাতিলের পক্ষে শক্ত অবস্থানে আছেন। কাজেই কোটা বাতিল হবেই।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করেছিলাম অন্তত মেয়েদের জন্য কোটা থাকবে। আমি মেয়েদের কোটা অপরিবর্তিত রাখার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছিলাম। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তখন আমাকে বলেছিলেন, আমি আগে বাতিল করবো মেয়েদের কোটা। কারণ, এই কোটা বাতিলের পক্ষে তাদের চিৎকার ছিল সবচেয়ে জোরালো।’