
"দূষণ, আবর্জনা আর দখলের কবলে পড়ে ঢাকার চারপাশের নদীগুলো এখন মুমুর্ষ রোগী।
ঢাকা শহরের আশপাশে চারটি নদী বুড়িগঙ্গা,শীতলক্ষা,তুরাগ ও বালু এ নদীগুলো দখল এবং দূষণের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। এ চারটি নদীকে ঢাকার লাইফলাইন বলা হয়। অথচ মানুষ অতি সহজে অনেকটাই না ভেবেচিন্তে ময়লা-আবর্জনা, রাসায়নিক বর্জ্য নদীতে ফেলছে।
নদীখেকোরা দখলের মহোৎসবে মেতে উঠছে, দেখে মনে হয় যেন আবর্জনা,রাসায়নিক বর্জ্য আর দখলের উপযুক্ত জায়গা একমাত্র নদীই! নদী দূষিত হলে এর রেতিবাচক প্রভাব পড়বে নদীতীরবর্তী সংশ্লিষ্ট মানুষের জীবন জীবিকার উপর। নদী দুষণের প্রভাব কোনো না কোনোভাবে মানুষের ওপরই পড়ে। এছাড়া দুষণের ফলে নীরবে বিভিন্ন রোগের বিস্তার ঘটতে পারে।।
তাই যত দ্রুত সম্ভব নদীগুলোকে বাচানোর উদ্যেগ নেওয়া দরকার। নদী স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন জনসচেতনতা।
প্রয়োজন সিটি কর্পোরেশনের কার্যকরি পদক্ষেপ। কলকারখানাগুলোকে বর্জ্য শোধনাগার ব্যাবহারে বাধ্য করতে হবে। কোন বর্জ্য যাতে নদী ওএর তীরবর্তী স্থানে না ফেলা হয় সে ব্যাপারে সিটি কর্পোরেশনকে দায়িত্ব নিতে হবে। নদীর পাড়ে সব ধরণের অবৈধ স্হাপনা উচ্চেদ করার পাশাপাশি দখল ও দূষণের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
নদী আমাদের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। নদী দুষণমুক্ত, স্বাভাবিক ও সুন্দর থাকলে মানুষ যেমন এর সুফল পাবে তেমনি এর উপর দুষণ ও অত্যাচার বাড়তে থাকলে তার খারাপ প্রভাবও মানুষের উপরই পড়বে।
লেখক: জামাল উদ্দীন
সানবিডি/এনজে