প্রত্যেকেই মনে মনে তার স্বপ্নের সঙ্গি কিংবা সঙ্গিনীকে ভেবে নেন৷ অন্তরে তৈরি করে নেন তার একটা প্রতিচ্ছবি৷ বিশেষ করে মেয়েরা সুযোগ পেলেই মনের মানুষটি তৈরি করে নেন৷ একই সঙ্গে প্রতিচ্ছবির মতো কাউকে খোঁজার কাজে মগ্ন থাকেন। খুঁজতে থাকেন নিজের মনের মতো গুণ সম্পন্ন ভালোবাসার মানুষটি। তাই জেনে নিন কোন গুণগুলি থাকলে সুন্দরী মহিলাদের চোখে আপনি হয়ে উঠতে পারেন একজন আদর্শ প্রেমিক!
১. তিনটি ম্যাজিক্যাল শব্দ! আই লভ ইউ! এই বিশেষ শব্দের প্রতি প্রতিটি মেয়ের দুর্বলতা থাকে । তাই সুযোগ পেলেই আপনার সঙ্গীনিকে বলুন ‘আই লভ ইউ’ ।
২. ভালোবাসার বিশেষ দিনগুলি আপনাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে। সেই সঙ্গে এই বিশেষ দিনগুলিতে সারপ্রাইজ গিফট দিতে পারেন, যা আপনার সঙ্গিনীকে খুশি করবে ।
৩. দোষ করলে তা স্বীকার করে নিন। এটা একটা ভাল গুন । সঙ্গিনীর কাছে দোষ স্বীকারে কোন লজ্জ্বা নেই৷ বরং তা সম্পর্ক মজবুত করে ।
৪. প্রেমিকার সঙ্গে শপিং করুন চুটিয়ে। মাঝে মাঝে ডিনার করতে বের হোন৷ পার্ক বা সিনেমায় যান । এগুলো সম্পর্ককে আরো মধুর করে ।
৫. প্রেমিকার পছন্দের জিনিস তাকে উপহার দিন। বিশেষ করে মেয়েরা কসমেটিক, পোশাক বেশি পছন্দ করে। তাই আপনার সাধ্যের মধ্যে যতটুকু সম্ভব প্রেমিকাকে উপহার দিন ।
৬. একটি মেয়ে সব সময় চান, তার সঙ্গী তাকে যে কোনও ধরণের খারাপ কিছু থেকে রক্ষা করার ক্ষমতা রাখুক। মুখে না বললেও প্রতিটি মেয়েই আশা করেন, তার সঙ্গীর কাছে সকল সমস্যার সমাধান থাকবে৷ যেমনটা থাকে কোন সুপার হিরোর।
৭. ব্যস্ততার মধ্যে প্রেমিকার ফোন এলে তা এড়িয়ে না গিয়ে ধরে নিন। এক মিনিট কথা বলুন৷ কিন্তু ফোন এড়িয়ে যাবেন না। এতে সঙ্গিনীর মনে সন্দেহ জাগতে পারে৷ আপনি কোথায় আছেন? কার সঙ্গে আছেন?
৮. বড় ধরণের কিছু নয়, কিন্তু সমস্ত মেয়েই চান তার সঙ্গী তার জন্য সারপ্রাইজ প্ল্যান করুক। ছোটখাট কিছু গিফট বা হুট করে একটা ভালোবাসাপূর্ণ এসএমএস। কারণ মেয়েরা সব সময় সারপ্রাইজ পেতে পছন্দ করেন। বিশেষ করে ভালবাসার মানুষটির কাছ থেকে। তাই বড় বা দামী কিছু নয়, একটি ফুল অথবা চকলেট কিংবা একটি ভালোবাসাপূর্ণ এসএমএস করে সঙ্গিনীকে সারপ্রাইজ দিয়েই দেখুন না।
৯. গোপন বিষয় এড়িয়ে না গিয়ে তা ভাগ করে নিন। এতে দু’জনের মধ্যে বোঝাপড়া আরও মজবুত হবে ।
১০. কখনও সখনও বন্ধুদের সঙ্গে আউটিংয়েও সঙ্গী করুন প্রেমিকাকে। এতে করে দু’জন দু’জনার কাছে আসার সুযোগ পাবেন৷ যা সম্পর্ককে আরও মধুর করে তুলবে৷