চালকল মালিকদের সঙ্গে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার ও বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মনুশি বৈঠকের পরেও কমেনি চালের দাম। খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতারা আপাতত চালের দাম কমছে না।একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বস্তাপ্রতি (৫০ কেজি) চালের দাম দুই থেকে আড়াইশ এবং কেজি প্রতি চার থেকে পাঁচ টাকা করে বেড়েছিল। আর সেই দাম এখনো বহাল রয়েছে।
তবে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মনুশি জানিয়েছেন আগামী একসপ্তাহের মধ্যেই চালের দাম কমবে।
হঠাৎ করে চালের বাজার অস্থির হওয়ার কারণ হিসেবে পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, চালকল মালিকরা বাড়ানোর কারণে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। আর চালকল মালিকরা বলছেন, বাজারে ধানের সংকট থাকায় এর প্রভাব পড়েছে চালের বাজারে।
খাদ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘নভেম্বর মধ্যে আমন ধান কাটা শেষ হয়ে যায়। আর আমাদের (সরকার) চাল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত যদি ডিসেম্বরের শেষে দিকে বা মাঝামাঝি নিতে হয়, তাহলে প্রান্তিক চাষিরা কিছুতেই ফসলের ন্যায্যমূল্য পাবেন না। এটা কিন্তু আমাদের খাদ্য মন্ত্রণালয়কে মাথায় নিতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘১ ডিসেম্বর কথা বলা হয়েছে। আমার মনে হয়, এই তারিখ আরও এগিয়ে আনতে হবে। কারণ নভেম্বরের ১৫ তারিখের মধ্যে ধান কাটাই শেষ হয়ে যায়। মাঠে কোনো ধানই থাকে না।’