মঙ্গলবার মধ্যরাতে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা অন্তরকে পিটিয়ে আহত করে দুর্বৃত্তরা। তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্তরের স্বজনরা তাকে দেখতে বুধবার ভোরে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে হাসপাতালে যাচ্ছিলেন।হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্বজনকে দেখতে যাওয়ার পথে ট্রাকচাপায় মারা গেছেন ছাত্রলীগ নেতা অন্তরের পরিবারের ছয়জন।
নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে।
চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহজাহান আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন, চন্দ্রগঞ্জ বসুদুহিতা এলাকার ছাত্রলীগ নেতা অন্তরের পিতা শাহ আলম ও তার (শাহ আলম) স্ত্রী নাসিমা, অন্তরের নানী শামছুন্নাহার (৪২), খালা রোকেয়া ও তার ছেলে রুবেল, অন্তরের ভাই অমিদ (৮) এবং সিএনজি চালক নুর হোসেন সোহাগ।
চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহজাহান বলেন, লক্ষ্মীপুর থেকে ছেড়ে যাওয়া একটি মালবাহী ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ট ১৪-০৬৭৭৭) ঘন কুয়াশার মধ্যে দ্রুতগতিতে চট্টগ্রাম যাচ্ছিল। ঢাকা-রায়পুর মহাসড়কের রতনপুরে বিপরীত দিক থেকে আসা সিএনজি চালিত অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজিটির চালকসহ ওই সিএনজিতে থাকা সব যাত্রী মারা যান।