বাংলাদেশের চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে এডিবি’র সহায়তা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্শি । তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ বড়ধরণের উন্নয়ন প্রকল্প সফল ভাবে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম। তাছাড়া যথা সময়ে এখন উন্নয়ন কাজও শেষ হচ্ছে। বাংলাদেশের ট্রান্সপোর্ট, ট্রেড ফেসিলিটেশন, এনার্জি, ইকোনমিক করিডোর ডেভেলপমেন্ট খাতে এডিবির সহায়তা দিয়ে আসছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ট্রেড ফেসিলিটেশনের আওতায় ১৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে ল্যান্ড কাষ্টমস স্টেশনের অবকাঠামোর উন্নয়ন, টঙ্গী ও জয়দেবপুরে ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো উন্নয়ন এবং এডিবি ও জিবিও এর অর্থায়নে ট্রেড ক্ষেত্রে সক্ষমতা বৃদ্ধির উপর প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। এছাড়া বুড়িমারি স্থল বন্দর উন্নযনে এডিবি’র অর্থায়নে ইতোমধ্যে একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। বেনাপোল স্থল বন্দর উন্নয়নে ১০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশে এডিবি’র সহায়তা আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা আশা করছি।
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্শি আজ (২৯ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর কার্যালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত এডিবি’র কান্ট্রি ডিরেক্টর এর সাথে মতবিনিময় কালে এসব কথা বলেন।
টিপু মুন্শি বলেন, এডিবি বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী। বাংলাদেশ এখন বিশে মধ্যে উন্নযনের রোল মডেল। বাংলাদেশ নিজ অর্থায়নে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষম। বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল মধ্য আয়ের দেশ, ২০২৪ সালে এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে এবং ২০৪১ সালে বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে একটি উন্নত দেশে পরিনত হবে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আগামীতে এডিবি’র সহায়তাও বৃদ্ধি পাবে বলে বিশ্বাস করি।
মতবিনিময় সভায় বাণিজ্যসচিব মো. মফিজুল ইসলাম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব(এফটিএ) মো. শফিকুল ইসলাম এবং ডব্লিউটিও এর মহাপরিচালক মুনির চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।