এক নজরে ১৬ কোম্পানির প্রান্তিক প্রতিবেদন

সান বিডি ডেস্ক আপডেট: ২০১৯-০১-২৯ ১৮:৩৯:২৪


ইভিন্স টেক্সটাইল: কোম্পানি সূত্র মতে, (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৭০ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ৭৯ পয়সা।
এদিকে, দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩৩ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় আয় ছিল ৪৩ পয়সা।
ন্যাশনাল টিউবস: কোম্পানি সূত্র মতে, (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৯১ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ১ টাকা ৪৬ পয়সা।
এদিকে, দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ২৭ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় লোকসান ছিল ৪৬ পয়সা।
বিডি ল্যাম্প: কোম্পানি সূত্র মতে, (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৮১ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ১ টাকা ৩৭ পয়সা।
এদিকে, দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৭১ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় লোকসান ছিল ১ টাকা ৩ পয়সা।
এএফসি অ্যাগ্র: কোম্পানি সূত্র মতে, (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৫১ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ১ টাকা ২৫ পয়সা।
এদিকে, দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৭৭ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় লোকসান ছিল ৬৩ পয়সা।
সামিট পোর্ট : কোম্পানি সূত্র মতে, (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২৫ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩০ পয়সা।
এসআলম কোল্ডরোল্ড :কোম্পানি সূত্র মতে, (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৭৬ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ৫৫ পয়সা।
এসময়ে শেয়ার প্রতি কার্যকর নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১১.৮৭ টাকা। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ সমাপ্ত সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ২০.১৬ টাকা।
ন্যাশনাল পলিমার :ডিএসইস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে, সোমবার ন্যাশনাল পলিমারের শেয়ার দর ছিল ৭৮.৮০ টাকায়। আজ লেনদেন শেষে কোম্পানিটির শেয়ার দর দাঁড়ায় ৮৬.৬০ টাকায়। অর্থাৎ কোম্পানিটির শেয়ার দর ৭.৮০ টাকা বা ৯.৯০ শতাংশ বেড়েছে।
তালিকায় উঠে আসা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের ৯.৭৪ শতাংশ, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের ৯.৭৪ শতাংশ, প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের ৯.৬২ শতাংশ, জনতা ইন্স্যুরেন্সের ৯.৫৫ শতাংশ, মালেক স্পিনিংয়ের ৯.১৮ শতাংশ, নর্দার্ণ ইন্স্যুরেন্সের ৮.৯৫ শতাংশ, ইস্টার্ন হাউজিংয়ের ৮.৭৬ শতাংশ, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের ৮.০৮ শতাংশ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ৭.৯৬ শতাংশ বেড়েছে।

এটলাস বিডির:কোম্পানি সূত্র মতে, (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৭০ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ১ টাকা ২ পয়সা।
এদিকে, দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৫২ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় লোকসান ছিল ৪২ পয়সা।
আনলিমা ইর্য়ান ডাইং :কোম্পানি সূত্র মতে, (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১৯ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৮ পয়সা।
এদিকে, দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৫২ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় লোকসান ছিল ৪২ পয়সা।
আরএন স্পিনিংয়: কোম্পানি সূত্র মতে, (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২৯ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩৬ পয়সা।
এদিকে, দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১০ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় লোকসান ছিল ১২ পয়সা।
সিনোবাংলার : কোম্পানি সূত্র মতে, (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৬৯ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ৬৩ পয়সা।
এদিকে, দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩৪ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় লোকসান ছিল ৩৯ পয়সা।
অ্যাক্টিভ ফাইন: কোম্পানি সূত্র মতে, (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৪৯ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ১ টাকা ১১ পয়সা।
এদিকে, দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৮৬ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় লোকসান ছিল ৮৮ পয়সা।
মেট্টো স্পিনিংয়: কোম্পানি সূত্র মতে, (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৮ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩ পয়সা।
এদিকে, দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৬ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় লোকসান ছিল ৮ পয়সা।
কনফিডেন্সের :কোম্পানি সূত্র মতে, (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ৫৮ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ২ টাকা ৯৯ পয়সা।
এদিকে, দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৮) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৭ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় লোকসান ছিল ১ টাকা ৭৫ পয়সা।
সামিট পোর্ট: কোম্পানি সূত্র মতে, (জুলাই-ডিসেম্বর’১৮) ৬ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২৫ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩০ পয়সা।