হোয়াইটওয়াশই থেকে রেহাই পেলনা বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক আপডেট: ২০১৯-০২-২০ ১৩:১৬:২৯


অবশেষে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়ানো গেল না।সাব্বির রহমান রুম্মন একাই লড়লেন, তুলে নিলেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি। কিন্তু তার ওই লড়াকু সেঞ্চুরির পরও ৩৩১ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করে ২৪২ রানের বেশি যেতে পারল না বাংলাদেশ।৮৮ রানের বড় হারে নিউজিল্যান্ডের কাছে তিন ম্যাচের সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হলো সফরকারিরা।

সিরিজ হাতছাড়া হয়েছিল এক ম্যাচ বাকি থাকতে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেটা আসলে ছিল বাংলাদেশের জন্য সম্মান বাঁচানোর লড়াই, হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমেছিল মাশরাফি বিন মর্তুজার দল।

ইনিংসের প্রথম ওভারেই জোড়া আঘাত টিম সাউদির। তামিম ইকবাল আরও একবার ব্যর্থ। সাউদির ওভারের দ্বিতীয় বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরেন দেশসেরা এই ওপেনার।

সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে দলকে একটুখানি টেনে তুলতে পেরেছেন মুশফিকুর রহীম আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। চতুর্থ উইকেটে তারা গড়েন ৩৭ রানের জুটি। মুশফিক ভালোই খেলছিলেন। হঠাৎ ভুল করে বসেন। ট্রেন্ট বোল্টের একটি ডেলিভারি স্কয়ার লেগে ফ্লিক করতে গিয়ে শেষ হয় তার ২৭ বলে গড়া ১৭ রানের ইনিংসটি।

এরপর মাহমুদউল্লাহও খুব বেশি দূর এগোতে পারেননি। ৩৬ বলে ১টি করে চার ছক্কায় ১৬ রান করে তিনি শিকার হন কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের।

কিন্তু সাব্বির রহমান ছিলেন আস্থার প্রতিমূর্তি হয়ে। মোহাম্মদ সাউফউদ্দীনের সঙ্গে ষষ্ঠ উইকেটে ১০১ রানের বড় জুটিতে দলকে কঠিন বিপদ থেকে বাঁচান তিনি। সাইফউদ্দীন হাফসেঞ্চুরির খুব কাছে এসে সাজঘরে ফেরেন, ৪৪ রানে।

তবে সাব্বির সেঞ্চুরি তুলে নিতে ভুল করেননি। ১১০ বলে ১২ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ১০২ রান করে শেষতক টিম সাউদির ফিরতি ক্যাচ হন হার্ডহিটার এই ব্যাটসম্যান। অষ্টম উইকেটে তার সঙ্গে ৬৭ রানের জুটি গড়ে ফেরেন ৩৭ রান করা মেহেদী হাসান মিরাজ। শেষতক ১৬ বল বাকি থাকতে বাংলাদেশের ইনিংস গুটিয়ে যায় ২৪২ রানে।