
চ্যাম্পিয়নস লিগে মেসি-সুয়ারেজদের জিততে দিল না লিঁওর গোলকিপার । লিঁওর গোলরক্ষক লোপেসের নৈপুন্যের জন্যই মূলত লিঁও-বার্সা ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হয়েছে।
মেসি-সুয়ারেজদের যেভাবে দক্ষতার সঙ্গে সামলেছেন এই ফরাসি তারকা, তাতে এ ম্যাচের একমাত্র নায়ক বলা যায় তাকেই।
ম্যাচটিতে লিঁও আক্রমণ শানাতে না পারলেও তাদের জমাট রক্ষণ ভাঙতে দেয়নি মেসিদের। কমপক্ষে তিনবার নিশ্চিত গোল ঠেকিয়েছেন লিঁও গোলরক্ষক।
তার কারণেই হতাশা নিয়ে স্পেনে ফিরতে হচ্ছে বার্সাকে। এর পরের ম্যাচে ঘরের মাঠে লিঁওকে হারাতে তাই নতুন কোনো ফন্দি আঁটতে হবে বার্সা কোচ আর্নেস্তো ভেলভার্দেকে।
অথচ পরিসংখ্যানে দুদলের পার্থক্য অনেক। চ্যাম্পিয়নস লিগে গত ছয়বারের দেখায় একবারও বার্সাকে হারাতে পারেনি লিঁও, যার চারটিতেই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন কাতালানরা।
ম্যাচের ১৭ মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে আক্রমণ শানানো আলবার কাট-ব্যাক থেকে বল পেয়েও ফাঁকায় থাকা মেসি প্রথম সুযোগেই গোল করতে পারতেন। কিন্তু আর্জেন্টাইন তারকার সেই প্রচেষ্টা নষ্ট হয়। ১৯ মিনিটে অল্পের জন্য সুযোগ মিস করেন উসমান ডেম্বেলে। লিঁওর রক্ষণকে ফাঁকি দিয়ে গোলরক্ষক লোপেসকে একা পেয়েও পরাস্ত করতে ব্যর্থ হন এ উইঙ্গার।
৫২ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা প্রায় পেয়েই গিয়েছিল লিঁও। ডিপের দুর্দান্ত ভলি ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন টের স্টেগান। কিন্তু বাম পোস্টের বাইরে বল মেরে এমন সুযোগ হেলায় হারান ডাচ ফরোয়ার্ড। ৬৩ মিনিটে গোলমুখ খোলার কাছ চলে গিয়েছিলেন লুইস সুয়ারেজ।
৬৮ মিনিটে ফের গোলমুখে শট নেন মেসি। এবার আলবার পাস এতই দ্রুত ছিল যে তা থেকে গোল করা প্রায় অসম্ভব। গোল মিসের মহড়ায় মেসির সঙ্গে সমান তালে পাল্লা দিয়েছেন সুয়ারেজ। ৭৪ মিনিটে আলবার দ্রুতগতির কাট-ব্যাক থেকে বল ফাঁকায় পেয়েও লোপেসকে ফাঁকি দিতে ব্যর্থ হন এই উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার। মিনিট চারেক পর ফের সুযোগ মিস। এবারও কালপ্রিট সেই সুয়ারেজ।